ব্যালন ডি’অর ২০২৬: মনোনয়ন প্রকাশ শুরু, সেরা হওয়ার দৌড়ে যারা
ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কার ব্যালন ডি’অরের ২০২৬ সালের মনোনয়ন প্রকাশ শুরু হয়েছে। মূল পুরস্কারের পাশাপাশি সেরা গোলরক্ষক, সেরা তরুণ খেলোয়াড়, সেরা কোচ ও…
মেলবোর্ন, ২৬ সেপ্টেম্বর- অস্ট্রেলিয়ায় শিশুদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে প্রস্তাবিত বয়সসীমা নির্ধারণ ও নিষেধাজ্ঞা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্কের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার) এ নীতির বৈধতা ও কার্যকারিতা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, সরকারের পরিকল্পনা কার্যকর করার আগে আরও সময় নিয়ে আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে।
এক্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা শিশুদের সুরক্ষা ও মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষাকে সমর্থন করে। তবে সরকারের প্রস্তাবিত আইনে বেশ কিছু অস্পষ্টতা ও আইনি জটিলতা রয়েছে। এক্স-এর মতে—
শিশুদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া পুরোপুরি বন্ধ করলে তা অভিভাবক ও শিশুদের অধিকার খর্ব করতে পারে।নতুন আইনটি সংবিধান ও মানবাধিকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে।বাস্তবে এ ধরনের আইন প্রয়োগ করা কঠিন এবং এর ফলে শিশুদের গোপনে বা ভুয়া তথ্য দিয়ে প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করার প্রবণতা বেড়ে যেতে পারে।
অস্ট্রেলিয়া সরকার সম্প্রতি ঘোষণা দিয়েছে, নির্দিষ্ট বয়সের (১৩ বা ১৬ বছর নিচে) শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রবেশাধিকার সীমিত করা হবে। তাদের যুক্তি, এ বয়সের শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে এবং তারা অনলাইন হয়রানি ও সাইবার অপরাধের ঝুঁকিতে থাকে। তাই আইন প্রণয়ন করে শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে দূরে রাখার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
এক্স বলছে, সরকার যদি সত্যিই শিশুদের সুরক্ষা চায়, তবে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করে বাস্তবসম্মত সমাধান খুঁজে বের করা উচিত। সরাসরি নিষেধাজ্ঞা জারি করলে তা কার্যকর হবে না, বরং উল্টো সমস্যা বাড়াতে পারে।
এ ছাড়া বিশেষজ্ঞরাও বলছেন, সোশ্যাল মিডিয়া নিষেধাজ্ঞা মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষায় কিছুটা ভূমিকা রাখতে পারে বটে, তবে শিক্ষা, সচেতনতা এবং অভিভাবকদের অংশগ্রহণ ছাড়া কেবল আইন দিয়ে শিশুদের রক্ষা করা সম্ভব নয়।
সরকার এখনো এক্স-এর এই সমালোচনার জবাব দেয়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, বিষয়টি নিয়ে আগামী দিনে আরও বিস্তৃত আলোচনা ও বিতর্ক হবে।
প্রযুক্তি কোম্পানি ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, আইনটি তড়িঘড়ি করে কার্যকর না করে সবার মতামত নিয়ে এগোলে তবেই সঠিক ভারসাম্যপূর্ণ সমাধান পাওয়া সম্ভব।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au