হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও বঙ্গবন্ধু: রাজনীতির এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়
বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে গণতন্ত্রের মানসপুত্র, ক্ষণজন্মা রাজনীতিবিদ হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এমন এক ব্যক্তিত্ব, যার হাত ধরে এ অঞ্চলের বহু রাজনৈতিক নেতার বিকাশ ঘটেছিল। তাঁর রাজনৈতিক…
নওগাঁর মহাদেবপুরে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে অলিফ চন্দ্র দত্ত (৪৫) নামে এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা আনুমানিক ছয় ভরি সোনা ও সাত লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে পরিবার।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার দুলালপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ির সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
নিহত অলিফ চন্দ্র দত্ত দুলালপাড়া গ্রামের মৃত সুনিল চন্দ্র দত্তের ছেলে। তিনি মহাদেবপুর বাজারে ‘দত্ত জুয়েলার্স’ নামে একটি স্বর্ণের দোকান পরিচালনা করতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো সোমবার রাত ৮টার দিকে দোকান বন্ধ করে মোটরসাইকেলে করে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন অলিফ চন্দ্র দত্ত। রাত সাড়ে ৮টার দিকে তিনি বাড়ির কাছাকাছি পৌঁছালে আগে থেকেই সেখানে অবস্থান নেওয়া কয়েকজন দুর্বৃত্ত তাঁর ওপর হামলা চালায়।
হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁর মাথায় আঘাত করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে পড়ে যান। এ সময় দুর্বৃত্তরা তাঁর কাছে থাকা সোনা ও নগদ টাকা নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
পরে স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা আহত অলিফ চন্দ্র দত্তকে উদ্ধার করে মহাদেবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। একজন স্বর্ণ ব্যবসায়ী প্রতিদিনের ব্যবসা শেষে বাড়ি ফেরার সময় কীভাবে হামলার শিকার হলেন এবং হামলাকারীরা তাঁর কাছে থাকা সোনা ও নগদ টাকার বিষয়ে আগে থেকেই জানত কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
পরিবারের দাবি, অলিফ চন্দ্র দত্তের সঙ্গে আনুমানিক ছয় ভরি সোনা ও সাত লাখ টাকা ছিল। তবে এসবের পরিমাণ ও কীভাবে সেগুলো ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার বিষয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঘটনাটি শুধু ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে ঘটানো হয়েছে, নাকি এর পেছনে পূর্বশত্রুতা বা অন্য কোনো কারণ রয়েছে, সেটিও খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
মহাদেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক বলেন, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। এটি শুধু ছিনতাইয়ের ঘটনা, নাকি পূর্বশত্রুতার জেরে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au