শিল্পী থেকে রাজনীতিবিদ, কাউকে ছাড়লেন না অভিনেতা খরাজ
মেলবোর্ন, ২৬ এপ্রিল- পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়তে থাকায় বর্তমান ভোট সংস্কৃতি ও রাজনীতির চরিত্র নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ জানিয়েছেন টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা খরাজ…
মেলবোর্ন, ২৬ সেপ্টেম্বর- অস্ট্রেলিয়া সরকার সম্প্রতি শিশুদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে বয়সসীমা ও আংশিক নিষেধাজ্ঞার যে পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে, তা আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। জাতিসংঘের এক অনুষ্ঠানে ইউরোপের কয়েকটি দেশ এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছে। তারা বলছে, অনলাইন নিরাপত্তা ও শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষায় অস্ট্রেলিয়ার পদক্ষেপ একধরনের অগ্রণী মডেল হতে পারে।
জাতিসংঘ আয়োজিত ওই বৈঠকে ইউরোপীয় দেশগুলোর প্রতিনিধিরা জানান—
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিশুদের অতিরিক্ত সময় কাটানো তাদের পড়াশোনা, মানসিক স্বাস্থ্য ও সামাজিক বিকাশের জন্য হুমকি হয়ে উঠছে।অস্ট্রেলিয়া যে সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছে, তা ইউরোপসহ বিশ্বের অনেক দেশকেই এ বিষয়ে নতুনভাবে ভাবতে উৎসাহিত করবে।ভবিষ্যতে অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোর ওপর আরও কঠোর নিয়ম-কানুন আরোপের সময় এসেছে।
অস্ট্রেলিয়ার সরকার প্রস্তাব করেছে, নির্দিষ্ট বয়সসীমার নিচে থাকা শিশুদের (১৩ বা ১৬ বছরের নিচে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা থাকবে। সরকার বলছে, এ পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা, সাইবার বুলিং কমানো এবং অনলাইন আসক্তি থেকে দূরে রাখা।
যদিও ইউরোপীয় প্রতিনিধিরা এ পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন, অস্ট্রেলিয়ার ভেতরে এবং প্রযুক্তি খাতে এ নিয়ে তীব্র সমালোচনা চলছে।
ইলন মাস্কের এক্স (সাবেক টুইটার) এবং আরও কিছু প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান বলছে, এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা কঠিন এবং তা মানবাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে।
সমালোচকদের মতে, শুধু আইন দিয়ে নয়, বরং অভিভাবকদের সচেতনতা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভূমিকা এবং প্রযুক্তি কোম্পানির সহযোগিতার মাধ্যমেই শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব।
ইউরোপের প্রশংসা পাওয়ার পর এখন বিষয়টি আন্তর্জাতিকভাবে আরও গুরুত্ব পাচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, অস্ট্রেলিয়ার এই পদক্ষেপ ভবিষ্যতে অনেক দেশকে প্রভাবিত করবে এবং বিশ্বব্যাপী সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ন্ত্রণে নতুন ধারা সূচনা করতে পারে।
বর্তমানে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা শিশুদের অনলাইন সুরক্ষাকে বৈশ্বিক ইস্যু হিসেবে সামনে আনার চেষ্টা করছে। অস্ট্রেলিয়ার সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত এই আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au