পোশাক কারখানায় পানি পান করে অসুস্থ ২ শতাধিক শ্রমিক
মেলবোর্ন, ১৮ জুন- গাজীপুরের কালিয়াকৈরে একটি তৈরি পোশাক কারখানায় পানি পান করার পর দুই শতাধিক শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে উপজেলার চন্দ্রা…
মেলবোর্ন, ২৭ সেপ্টেম্বর- জাতিসংঘের ৮০ বছরের ইতিহাসে এখনও কোনো নারীকে মহাসচিব পদে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। এই বিষয়টি আন্তর্জাতিক রাজনীতির উচ্চ পর্যায়ের লিঙ্গ বৈষম্যের স্পষ্ট চিহ্ন হিসেবে ধরা হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে কিছু বিশ্বনেতা এই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং মহাসচিব পদে একজন নারী নেত্রীর প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়েছেন।
বর্তমান মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতেরেস ২০২৬ সালের শেষে তার দ্বিতীয় মেয়াদ শেষ করবেন। এরপর মহাসচিব পদে একজন নারী নির্বাচনের দাবী আন্তর্জাতিকভাবে আরও জোরদার হয়েছে।
এস্তোনিয়ার প্রেসিডেন্ট আলার কারিস বলেন,“এটা এখন সময়ের দাবি যে একজন নারীকে মহাসচিব হিসেবে নির্বাচন করা হোক।”
স্লোভেনিয়ার প্রেসিডেন্ট নাতাশা পিরক মুসার বলেন,“এই অধিবেশনের শেষে, আমরা জাতিসংঘের মহাসচিব হিসেবে একজন নারীকে দেখতে চাই। চলুন ইতিহাস তৈরি করি।”
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্য থেকে ৫টি স্থায়ী ক্ষমতাসম্পন্ন দেশ – যুক্তরাজ্য, চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র – গোপনে প্রার্থী তালিকা তৈরি করে সাধারণ পরিষদে প্রস্তাব পাঠায়।
২০১৫ সালে সাধারণ পরিষদ প্রস্তাব দিয়েছিল যে, প্রার্থীদের নাম ও জীবনবৃত্তান্ত নিয়মিতভাবে সকল সদস্য রাষ্ট্রের কাছে পাঠানো হবে, যাতে নির্বাচন প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক হয়।
মঙ্গোলিয়ার প্রেসিডেন্ট উখনাগীনের খুয়েলসুখ বলেন,“জাতিসংঘের শীর্ষ নেতৃত্বে লিঙ্গ সমতা নিশ্চিত করা সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করবে।”
ডোমিনিকান রিপাবলিকের প্রেসিডেন্ট লুইস আবিনাদার বলেন,“আমাদের অঞ্চলে বৈচিত্র্য, সক্ষমতা ও অভিজ্ঞতা রয়েছে। সময় এসেছে একজন নারী মহাসচিবের।”
চিলির প্রেসিডেন্ট গ্যাব্রিয়েল বোরিক প্রস্তাব করেছেন সাবেক চিলির রাষ্ট্রপতি মিশেল বাচেলেটকে।বাচেলেট চিলির প্রথম নারী রাষ্ট্রপতি এবং দুইবার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি জাতিসংঘের নারী সংস্থা ও মানবাধিকার হাইকমিশনার হিসেবে কাজ করেছেন।আর্জেন্টিনার রাফায়েল গ্রোসিরও মহাসচিব পদে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ আছে।
২০২৬ সালে নতুন মহাসচিব নির্বাচিত হবেন এবং দায়িত্ব ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে।মহাসচিব পদে একজন নারী নির্বাচিত হলে এটি হবে ঐতিহাসিক মুহূর্ত, যা জাতিসংঘ পরিচালনায় লিঙ্গ সমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে গণ্য হবে।
এটি শুধু লিঙ্গ বৈষম্যের বিরুদ্ধে একটি প্রতীকী জয় নয়, বরং আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও নেতৃত্বের ক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবেও বিবেচিত হবে।
সূত্র : রয়টার্স
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au