পোশাক কারখানায় পানি পান করে অসুস্থ ২ শতাধিক শ্রমিক
মেলবোর্ন, ১৮ জুন- গাজীপুরের কালিয়াকৈরে একটি তৈরি পোশাক কারখানায় পানি পান করার পর দুই শতাধিক শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে উপজেলার চন্দ্রা…
মেলবোর্ন, ২৯ সেপ্টেম্বর- মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘ এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চলমান ইসরায়েল-হামাস সংঘাতে নতুন করে আলোচনায় এসেছে জিম্মি ইস্যু। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গাজায় আটক দুই জিম্মিকে আর জীবিত খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এ পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক মহল ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো অন্তত সাময়িক যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানাচ্ছে, যাতে জিম্মিদের খোঁজে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া যায় এবং মানবিক সহায়তা পৌঁছানো সম্ভব হয়।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গাজায় ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর মোট ২৫১ জনকে বন্দি করে নিয়ে যাওয়া হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশকে ধাপে ধাপে মুক্ত করা হলেও এখনও অনেকে গাজার ভেতরে আটক রয়েছেন। সম্প্রতি নিশ্চিত হওয়া গেছে, আটক ২ জন জিম্মি নিখোঁজ হয়ে গেছেন, তাঁদের জীবিত থাকার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। ইসরায়েলি সেনাদের দাবি, এ দুজনকে হয়তো অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বা যুদ্ধের মধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন।
জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে জরুরি ভিত্তিতে সাময়িক যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানানো হয়েছে। তাঁদের বক্তব্য, অব্যাহত হামলা ও প্রতিশোধমূলক অভিযানের মধ্যে জিম্মিদের জীবন আরও ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে। শুধু জিম্মি নয়, গাজায় আটকে থাকা সাধারণ মানুষদেরও বাঁচাতে যুদ্ধবিরতি জরুরি।
ইতিমধ্যে গাজার মানবিক পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। স্থানীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, ইসরায়েলি অভিযানে এ পর্যন্ত ৬৬ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যাঁদের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠই নারী ও শিশু। হাজার হাজার আহত ব্যক্তি এখনো চিকিৎসার অভাবে কষ্ট পাচ্ছেন। পানি, খাদ্য ও ওষুধের সংকট তীব্র হয়ে উঠেছে।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু অবশ্য এর আগে স্পষ্ট করে বলেছেন, হামাসের বিরুদ্ধে লড়াই “শেষ না হওয়া পর্যন্ত” চালিয়ে যাওয়া হবে। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ইঙ্গিত দিয়েছেন, গাজা ইস্যুতে এক ধরনের সমঝোতার পথ খোলা রয়েছে এবং “বিশেষ কিছু” ঘটতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর ব্রিটেন, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কিছু দেশ ইসরায়েলের ওপর চাপ বাড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বলছে, জিম্মিদের মুক্তি এবং সাধারণ মানুষের জীবন রক্ষায় অবিলম্বে অস্ত্রবিরতি জরুরি।
প্রশ্ন রয়ে গেছে—ইসরায়েল-হামাস সংঘাত কি জিম্মিদের জীবন রক্ষার জন্য অন্তত কিছু সময়ের জন্য হলেও বিরতি নেবে, নাকি রক্তক্ষয়ী লড়াই অব্যাহত থাকবে?
সুত্রঃ এএফপি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au