দক্ষিণ গাজার কারেম আবু সালেম ক্রসিং থেকে ত্রাণ ট্রাক প্রবেশের পর ফিলিস্তিনি নারী ও একটি ছেলে খাদ্য সংগ্রহের জন্য সমাবেশের দিকে তাকিয়ে আছে। ছবি : এএফপি
মেলবোর্ন, ১৩ অক্টোবর- ইসরায়েল ঘোষণা করেছে, গাজার সব জিম্মি ফিরে আসার পরেই তারা ফিলিস্তিনি বন্দিদের ধাপে ধাপে মুক্তি দেবে। এ বিষয়টি শনিবার জানানো হয় ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে।
মন্ত্রণালয় জানায়, “গাজার সব বন্দি বা জিম্মি নিরাপদে ফিরে এলে আমরা ফিলিস্তিনি কারাবন্দিদের মুক্তি প্রক্রিয়া শুরু করব। এটি হবে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ও তত্ত্বাবধানে।”
এটি আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর চেষ্টার অংশ হিসেবে নেওয়া সিদ্ধান্ত। যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারসহ মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো ইতোমধ্যেই প্রক্রিয়ার তত্ত্বাবধানে থাকার ঘোষণা দিয়েছে।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এটি একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ, তবে বাস্তবায়ন এবং সময়সীমা স্পষ্ট নয়। তারা আশা প্রকাশ করেছে, দ্রুত বন্দিদের মুক্তি দিয়ে পুনরায় শান্তি প্রক্রিয়া এগোবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পদক্ষেপ যুদ্ধবিরতি ও দুই পক্ষের মধ্যস্থতাকে শক্তিশালী করতে পারে, তবে বাস্তবায়নের সময় ফিলিস্তিনি সমাজের আস্থা অর্জন এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
তিনি বলেন, ‘যখনই নিশ্চিত হব জিম্মিরা ইসরায়েলি ভূখণ্ডে প্রবেশ করেছে, তখনই ওই বাসগুলো রওনা দেবে।’
তিনি আরো জানান, গাজায় দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে আটক সব জিম্মির মুক্তি প্রক্রিয়া সোমবার ভোরে শুরু হওয়ার কথা।
ইসরায়েল ও হামাস উভয়েই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত যুদ্ধসমাপ্তি পরিকল্পনার প্রথম ধাপ অনুমোদন করেছে, যা ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর শুরু হওয়া যুদ্ধের অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।
চুক্তি অনুযায়ী, হামাসকে সোমবার দুপুরের মধ্যে বাকি ৪৭ জন জিম্মি (জীবিত ও মৃত উভয়ই) মুক্তি দিতে হবে।
সুত্রঃ এএফপি