বহুমুখী সংকটে চাপে সাধারণ মানুষের জীবন
সকাল থেকে গ্যাস নেই, রান্না করতে গিয়ে বাড়তি খরচে কিনতে হচ্ছে সিলিন্ডার। সন্ধ্যায় কর্মস্থল থেকে ক্লান্ত হয়ে বাসায় ফিরেও মিলছে না বিদ্যুৎ। এর মধ্যে বাজারে…
মেলবোর্ন ২০ অক্টোবর-মেজর লিগ সকারের নিয়মিত মৌসুমের শেষ দিন, বলা হয় ‘ডিসিশান ডে।’ গোটা মৌসুম রাজত্ব করেছেন যিনি, ভাগ্য নির্ধারণী দিনে তিনি তো আর মিইয়ে থাকতে পারেন না! হ্যাটট্রিক করেই নিজের শ্রেষ্ঠত্বের জানান দিলেন লিওনেল মেসি। নিশ্চিত করে ফেললেন গোল্ডেন বুট পুরস্কার জয় করাও। এই লিগের ইতিহাসে অনন্য এক কীর্তি গড়াও এখন বলা যায় তার জন্য স্রেফ সময়ের ব্যাপার।
লিগের নিয়মিত মৌসুমের শেষ দিনে ন্যাশভিল এসসিকে তাদের মাঠেই ৫-২ গোলে হারায় ইন্টার মায়ামি।
তিন গোল করে ২৮ ম্যাচে ২৯ গোল নিয়ে নিয়মিত মৌসুম শেষ করলেন মেসি। গোলের তালিকায় তার ধারেকাছে নেই কেউ। ২৪ গোল করে যৌথভাবে দুইয়ে ন্যাশভিলের স্যাম সারিজ ও লস অ্যাঞ্জেলস এফসির ডেনিস বুয়াঙ্গা।
তিন গোলের পাশাপাশি একটি গোল বানিয়েও দেন মেসি। ১৯টি গোলে সহায়তা করে অ্যাসিস্টের তালিকাতেও তিনি লিগে সবার ওপরে।
গোল ও অ্যাসিস্টের এই যুগলবন্দিতে মৌসুমের সেরা ফুটবলার বা ‘মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার (এমভিপি)’ পুরস্কারও তিনিই জিতে নেবেন নিশ্চিতভাবে। যেদিন আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে, তার নাম খোদাই হয়ে যাবে মেজর লিগ সকারের ইতিহাসে। গত মৌসুমেও এমভিপি জিতেছিলেন তিনি। লিগের ইতিহাসে আর কোনো ফুটবলার টানা দুই মৌসুমে সেরা হতে পারেননি।
শেষ দিনে মেসির তিন গোলে পয়েন্ট তালিকার তিন নম্বরে থেকে নিয়মিত মৌসুম শেষ করেছে মায়ামি। প্লে-অফে ঘরের মাঠে খেলার সুবিধা তারা পাবে।
ছয় নম্বরে শেষ করা ন্যাশভিলের সঙ্গেই প্লে-অফের প্রথম রাউন্ডে লড়বেন মেসিরা।
ন্যাশভিলের মাঠে বাংলাদেশ সময় রোববার সকালে প্রথম আধ ঘণ্টায় খুব সুবিধে করতে পারেননি মায়ামি। বরং গোল হজম করা থেকে তারা রক্ষা পায় দুই-তিন দফায়। তবে ৩৪তম মিনিটে তারা এগিয়ে যায় মেসির জাদুতে।
জর্দি আলবার ক্রস থেকে উড়ে আসা বল বুক নিয়ে রিসিভ করেন তিনি। বল শূন্যে থাকা অবস্থায়ই প্রতিপক্ষের একজনকে বিভ্রান্ত করে দ্রুত গতিতে ছুটে যান বক্সের দিকে। আরেকজনকে কাটিয়ে চোখের পলকে বাঁকানো শট নেন বক্সের বাইরে থেকেই। গোলকিপার ডাইভ দিয়েও রক্ষা করতে পারেননি।
একটু পর তাদেও আইয়েন্দে বল জালে পাঠালেও গোল হয়নি অফসাইডের কারণে। ধাক্কা সামলে প্রথমার্ধেই দারুণভাবে এগিয়ে যায় ন্যাশভিল। ৪৩তম মিনিটে হেড থেকে গোল করে সমতা ফেরান সারিজ।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে লুইস সুয়ারেসের ক্রস থেকে মেসির ভলি বাধা পায় পোস্টে। যোগ করা সময়েই সারিজের পাস থেকে জ্যাকব শাফলবার্গের চমৎকার ফিনিশিংয়ে এগিয়ে যায় ন্যাশভিল।
৬৩তম মিনিটে পেনাল্টি পায় মায়ামি। এই মৌসুমে নানা সময়েই সতীর্থদেরকে পেনাল্টি নিতে দিয়েছেন মেসি। তবে দলের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে শট নিতে আসেন তিনি নিজেই। গোলকিপারকে বিভ্রান্ত করে উল্টো প্রান্তে পাঠিয়ে আলতো করে বল জালে পাঠান মায়ামি অধিনায়ক।
চার মিনিট পর মেসির কাছ থেকে সুয়ারেসের পা হয়ে আসা বলে জটলার মধ্য থেকে টোকা মেরে গোল করে মায়ামিকে এগিয়ে নেন বালতাসার রদ্রিগেস।
৭৯তম মিনিটে রদ্রিগো দে পলের দারুণ ফ্রি কিক কোনোরকমে ঠেকান ন্যাশভিলের গোলকিপার। ৮১তম মিনিটে আরেকটি দারুণ ফিনিশিংয়ে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন মেসি।
দুই মিনিট পর মেসির অসাধারণ পাস থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন সুয়ারেস। একদম শেষ সময়ে বক্সের ভেতর সুয়ারেসের ব্যাক হিল থেকে বল পেয়ে মেসি একজনকে এড়িয়ে আরেকজনকে কাটিয়ে বল দেন ফাঁকায় থাকা তেলাস্কো সেগোভিয়াকে। ফাঁকা পোস্টে বল পাঠাতে কোনো সমস্যা হয়নি তার।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au