আবুল কালাম আজাদ। ছবিঃ সংগৃহীত
মেলবোর্ন, ৩১ অক্টোবর- ময়মনসিংহের ভালুকা থানায় পিস্তলের লাইসেন্স নবায়নের কাজে গিয়ে গণজাগরণ মঞ্চের এক নেতা জামায়াত-শিবিরের মবের মুখে পড়েন। পরে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ভালুকা মডেল থানায় এ ঘটনা ঘটে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম আবুল কালাম আজাদ (৭৫)। তাঁর বাড়ি উপজেলার বাশিল গ্রামে। পুলিশ জানিয়েছে, ২০১৩ সালে গঠিত গণজাগরণ মঞ্চের প্রথম সারির নেতা ছিলেন তিনি।
জানা যায়, আবুল কালাম আজাদ দুপুরে নিজের ব্যক্তিগত পিস্তলের লাইসেন্স নবায়নের কাজে থানায় যান। খবর পেয়ে স্থানীয় জামায়াত-শিবিরের নেতা–কর্মীরা থানায় উপস্থিত হয়ে মব সৃষ্টি বিক্ষোভ শুরু করেন এবং তাঁর গ্রেপ্তারের দাবি জানান। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ তাঁকে হেফাজতে নেয়। তার বিরুদ্ধে থানায় কোন অভিযোগ নেই বলেও জানা গেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরেরা আশংকা করছেন, মব সৃষ্টির কারণে তাকে ভুয়া মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে হয়রানি করা হতে পারে। এই সময়ে আইনের শাসনের অভাব থানায় দেশে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে বলেও জানান তারা।
ভালুকা উপজেলা জামায়াতের আমির সাইফুল্লাহ পাঠান বলেন, “আমাদের নেতারা নির্দোষ ছিলেন। তাঁদের বিরুদ্ধে মিথ্যা আন্দোলন করে সাজানো ট্রাইব্যুনাল গঠন করে শহীদ করা হয়েছে। এখন ওই দোসরকেও পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।”
ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির বলেন, “আবুল কালাম আজাদ আওয়ামী লীগেরও কর্মী। তাঁকে একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে এবং বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।” তবে কোন মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।