মেলবোর্ন ৭ নভেম্বর-বিপিএল নয় বরং সাকিব আল হাসানের পর ২য় বাংলাদেশি হিসেবে বিগব্যাশ খেলতে যাচ্ছেন রিশাদ হোসেন। ২০১৫ সালের ১৯ জানুয়ারি ছিল শেষবার, যখন কোনো বাংলাদেশি খেলোয়াড় বিগ ব্যাশ লিগে খেলেছিলেন। সেবার খেলেছিলেন সাকিব আল হাসান। গত মৌসুমে রিশাদ হোসেন হতে পারতেন দ্বিতীয় বাংলাদেশি ক্রিকেটার, যিনি এই টুর্নামেন্টে খেলতেন। কিন্তু বোর্ড থেকে এনওসি না পাওয়ায় হোবার্ট হারিকেন্সের হয়ে খেলার সুযোগ পাননি তিনি, কারণ তখন বিপিএলের ব্যস্ততা ছিল।
তবে এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। এই মৌসুমে হোবার্ট হারিকেন্স আবারও রিশাদকে দলে নিয়েছে, এবং এবার বিসিবি তাকে পূর্ণ এনওসি দিয়েছে বিবিএলে খেলার জন্য। বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স বিভাগের দায়িত্বে থাকা শাহরিয়ার নাফিস ওটিএন বাংলাকে নিশ্চিত করেছেন যে, রিশাদকে বিগ ব্যাশে অংশগ্রহণের পূর্ণ এনওসি দেওয়া হয়েছে।
বিগ ব্যাশ লিগ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৪ ডিসেম্বর থেকে ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। যেহেতু বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ শুরু হওয়ার সম্ভাব্য তারিখ ১৯ ডিসেম্বর, তাই ধারণা করা হচ্ছে এই মৌসুমে রিশাদ বিপিএলে খেলবেন না। রিশাদকে বিগ ব্যাশের ড্রাফট থেকে দলে নিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক ও হোবার্ট হারিকেন্সের স্ট্র্যাটেজি প্রধান রিকি পন্টিং।
গত বছর পন্টিং ব্যাখ্যা করেছিলেন, হারিকেন্স দল রিশাদকে কেন নিতে আগ্রহী। তিনি বলেন, “রিশাদ এমন একজন, যিনি পুরোপুরি উইকেট নেওয়ার জন্যই বল করেন। গত বছর হোবার্ট হারিকেন্সের অধিনায়ক নাথান এলিসের সঙ্গে কথা বলেছিলাম, সে মরিয়া ছিল এমন একজন স্পিনার পেতে, যে ইনিংসের মাঝামাঝি সময়ে উইকেট তুলতে পারে। এটাই লেগ স্পিনারদের কাজ। যদি রিশাদের রেকর্ড দেখো, সেটা অসাধারণ,”
তবে এখন প্রশ্ন থেকে যায়। রিশাদেরমত খেলোয়ার যদি বিপিএল না খেলেন তাহলে কি বিপিএলে এর প্রভাবে একটু হলেও কি পরবে? কারণ এই সময়ে জাতীয় দলে তারকা ক্রিকেটারদের মধ্যে রিশাদ অন্যতম। আর সেই তারকা ক্রিকেটার যদি বিপিএলের মঞ্চে না থাকেন তাহলে ভক্তরা কি আশাহত হবেন না? সেটা হয়তো সময়ই বলে দিবে। তবে বিগব্যাশেরমত বড় মঞ্চে বাংলাদেশের হয়ে কেউ প্রতিনিধ্বিত্ব করবে সেটাই বা কমে কিসের!