সমীক্ষাকে ‘রাজনৈতিক চক্রান্ত’ বললেন মমতা, ভোটের ফল নিয়ে আত্মবিশ্বাসী তৃণমূল
মেলবোর্ন, ১ মে- পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন শেষ হওয়ার পর বুথফেরত সমীক্ষা ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে রাজ্যজুড়ে। ভোট শেষ হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন…
মেলবোর্ন, ১১ নভেম্বর- বিশ্বজুড়ে সংঘাত, সহিংসতা ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে প্রতিদিন গড়ে ৬৭ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হচ্ছে, এমন তথ্য প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর (UNHCR)। সংস্থাটির সদ্য প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২5 সালের মধ্যেই বৈশ্বিক বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা ১২ কোটি ছাড়াতে পারে, যা মানব ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
ইউএনএইচসিআর জানায়, চলমান যুদ্ধ ও রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার পাশাপাশি জলবায়ুজনিত দুর্যোগ—বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড় ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি বাস্তুচ্যুতির অন্যতম কারণ হয়ে উঠেছে।
বিশেষ করে সুদান, গাজা, ইউক্রেন, মিয়ানমার, কঙ্গো ও আফগানিস্তানে চলমান সংঘাতে লাখ লাখ মানুষ ঘরবাড়ি হারাচ্ছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, এশিয়া অঞ্চলে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে।
বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার ও পাকিস্তানে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সবচেয়ে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।
বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততা বৃদ্ধি ও ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বহু পরিবার গ্রাম ছেড়ে শহরমুখী হচ্ছে, যা অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুতির সংখ্যা বাড়াচ্ছে।
ইউএনএইচসিআরের তথ্যমতে, বর্তমানে বিশ্বে প্রায় ১১ কোটি ৭০ লাখ মানুষ নিজ দেশ বা এলাকা ছেড়ে বাস্তুচ্যুত অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪ কোটি ৩০ লাখ মানুষ অন্য দেশে আশ্রয় নিয়েছে, বাকিরা নিজ দেশের ভেতরেই উদ্বাস্তু জীবন যাপন করছে।
সংস্থাটির প্রধান ফিলিপো গ্রান্ডি বলেছেন,
“এই পরিসংখ্যান কেবল সংখ্যা নয়, এগুলো মানুষের জীবন, তাদের হারানো নিরাপত্তা ও ভবিষ্যতের প্রতিচ্ছবি।”
ইউএনএইচসিআর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, বাস্তুচ্যুত মানুষের সুরক্ষা ও পুনর্বাসনের জন্য বৃহত্তর মানবিক সহায়তা, নিরাপদ অভিবাসন নীতি এবং জলবায়ু অভিযোজন প্রকল্প গ্রহণ করা জরুরি।
গ্রান্ডি সতর্ক করে বলেন,
“যদি এখনই বিশ্ব একসঙ্গে পদক্ষেপ না নেয়, তবে আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই বাস্তুচ্যুতির হার দ্বিগুণ হয়ে যেতে পারে।”
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই প্রতিবেদন বিশ্ববাসীর জন্য এক কঠিন বাস্তবতার সতর্কবার্তা মানবিক সংকট এখন আর কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের সমস্যা নয়, বরং বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au