চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ১৫ ডিসেম্বর- চীনের আরোপিত জাতীয় নিরাপত্তা আইনের আওতায় হংকংয়ের প্রভাবশালী গণতন্ত্রপন্থী ধনকুবের ও সংবাদপত্র উদ্যোক্তা জিমি লাইকে দোষী সাব্যস্ত করেছে আদালত। সোমবার ঘোষিত রায়ে তার বিরুদ্ধে বিদেশি শক্তির সঙ্গে যোগসাজশের ষড়যন্ত্রের দুটি অভিযোগ এবং রাষ্ট্রদ্রোহের একটি অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এসব অপরাধে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে।
রায়ের পর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও গণমাধ্যম স্বাধীনতা সংগঠনগুলো তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। কমিটি টু প্রোটেক্ট জার্নালিস্টস বলেছে, এই দণ্ডাদেশ নিপীড়নের একটি লজ্জাজনক দৃষ্টান্ত এবং এটি হংকংয়ে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রতি চূড়ান্ত অবজ্ঞার প্রতিফলন। সংগঠনটির ভাষ্য অনুযায়ী, জিমি লাইয়ের একমাত্র অপরাধ ছিল একটি সংবাদপত্র পরিচালনা করা এবং গণতন্ত্রের পক্ষে অবস্থান নেওয়া। তারা আরও সতর্ক করে বলেছে, বয়স ও অসুস্থতার কারণে কারাগারে তার জীবনঝুঁকি বাড়ছে এবং তাকে অবিলম্বে পরিবারের সঙ্গে পুনর্মিলিত হতে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
কমিটি ফর ফ্রিডম ইন হংকং ফাউন্ডেশনের যুক্তরাজ্য ও ইউরোপ পরিচালক মার্ক সাবাহ রায়কে আইনি প্রক্রিয়ার বিকৃতি হিসেবে অভিহিত করেছেন। তার বক্তব্য, ন্যায়বিচারের নামে এই বিচার ছিল প্রহসন, যা বৈশ্বিক আইনি কেন্দ্র হিসেবে হংকংয়ের সুনামকে গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, জিমি লাই একজন ব্রিটিশ নাগরিক এবং কূটনৈতিক পর্যায়ে তার মুক্তি নিশ্চিত করা জরুরি।
জাতীয় নিরাপত্তা আইন কার্যকর হওয়ার পর থেকে হংকংয়ে ভিন্নমত দমনের অভিযোগ ধারাবাহিকভাবে উঠে আসছে। সমালোচকদের মতে, এই আইনের প্রয়োগে রাজনৈতিক বিরোধিতা, স্বাধীন সাংবাদিকতা ও নাগরিক অধিকার সংকুচিত হচ্ছে। জিমি লাইয়ের রায়কে সেই ধারার সর্বশেষ ও সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ উদাহরণ হিসেবে দেখছেন অনেকেই।
এদিকে হংকং সরকার ও বেইজিং বরাবরের মতোই বলছে, আইন অনুযায়ী বিচার হয়েছে এবং জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষাই ছিল এই মামলার মূল লক্ষ্য। তবে রায় ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে হংকংয়ের বিচারব্যবস্থা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ আরও গভীর হয়েছে।
সূত্র : রয়টার্স
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au