অভিনেতা শামস সুমনের মৃত্যু, নাট্যাঙ্গনে শোকের ছায়া
মেলবোর্ন, ১৮ মার্চ- দেশের অভিনয় অঙ্গনের পরিচিত মুখ শামস সুমন আর নেই। বিশিষ্ট এই অভিনেতা ও রেডিও ভূমি-র স্টেশন চিফের মৃত্যুতে (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)…
মেলবোর্ন, ২৩ ডিসেম্বর- টাঙ্গাইলের সখীপুরে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই কিশোর বন্ধুসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার কালমেঘা–নলুয়া সড়কের বেলতলী এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। এক মুহূর্তের দুর্ঘটনায় তিনটি পরিবারের স্বপ্ন ভেঙে পড়েছে, এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোক।
নিহতরা হলেন সখীপুর উপজেলার কালিদাস গ্রামের কালিদাস পানাউল্লাহ পাড়ার মোহাম্মদ আলীর ছেলে লিখন আহমেদ (১৫), বল্লাচালা পাড়ার মইনুদ্দিনের ছেলে আবির হোসেন (১৫) এবং ফুলঝুঁড়িপাড়ার প্রবাসী আব্দুর রউফের ছেলে সাব্বির হাসান (২০)। লিখন ও আবির কালিদাস কলতান বিদ্যানিকেতনের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। সাব্বির এইচএসসি পাস করে বিদেশে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার সন্ধ্যার দিকে বেলতলী এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা দুটি মোটরসাইকেলের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে দুই মোটরসাইকেলের পাঁচ আরোহী গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আবির হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে আহত বাকি চারজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে লিখন আহমেদ ও সাব্বির হাসান মারা যান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা আরও জানান, একটি মোটরসাইকেল চালাচ্ছিলেন আবির হোসেন এবং অপরটি চালাচ্ছিলেন সাব্বির হাসান। লিখন আহমেদ আবিরের মোটরসাইকেলে আরোহী ছিলেন। সংঘর্ষের তীব্রতায় দু’টি মোটরসাইকেলই দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
কালিদাস কলতান বিদ্যানিকেতনের প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম বাদল বলেন, লিখন ও আবির বর্তমানে তাঁর বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং সাব্বির ছিলেন সাবেক ছাত্র। কাকতালীয়ভাবে নিহত তিনজনই একই গ্রামের বাসিন্দা। তাদের অকাল মৃত্যুতে পুরো গ্রামজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হেলাল উদ্দিন জানান, দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে দু’জনের মরদেহ থানায় আনা হয়েছে এবং আরেকজনের মরদেহ ঢাকা থেকে সখীপুরে আনার প্রস্তুতি চলছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, তরুণ তিন প্রাণের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকাহত পরিবেশ বিরাজ করছে। দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই স্বজন ও প্রতিবেশীদের ভিড়ে হাসপাতাল ও গ্রামের বাড়িগুলো ভারী হয়ে উঠেছে কান্নায়।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au