মিয়ানমারে ৬ মাসে ৭০০ মানুষকে হত্যা করেছে সামরিক বাহিনী
মেলবোর্ন, ২৩ জুন- মিয়ানমারে গত বছরের আগস্ট থেকে চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত ছয় মাসে দেশটির সামরিক বাহিনীর হামলায় অন্তত ৭০২ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন…
মেলবোর্ন ১০ জানুয়ারি: বাংলাদেশে ফিরতে পেরে গভীর আনন্দ ও উদ্দীপনার কথা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের অফিসিয়াল এক্স ও ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বার্তায় তার এই অনুভূতির কথা জানানো হয়।
শনিবার সকাল ৯টার দিকে প্রকাশিত ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে শপথ নেওয়া ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনকে স্বাগত জানাতে পেরে ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস আনন্দিত। পোস্টে রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেনের বক্তব্য তুলে ধরে বলা হয়, বাংলাদেশ এমন একটি দেশ যার সঙ্গে তিনি খুব ভালোভাবেই পরিচিত। সেই পরিচিত ও প্রিয় দেশে আবার ফিরে আসতে পারায় তিনি ভীষণ আনন্দিত।
রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন বলেন, ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসে কর্মরত আমেরিকান ও স্থানীয় কর্মীদের নিয়ে গঠিত একটি শক্তিশালী দলের নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পেয়ে তিনি উচ্ছ্বসিত। তার লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যকার সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করা এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতিগত লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করা। একই সঙ্গে প্রতিদিন নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে আরও নিরাপদ, শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করে তোলার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনকে বাংলাদেশের পরবর্তী মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগের অনুমোদন দেয়। তিনি ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের ১৮তম রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব নিচ্ছেন এবং তার পূর্বসূরি পিটার হাসের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন যুক্তরাষ্ট্রের ফরেন সার্ভিসের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। তিনি এর আগেও বাংলাদেশে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাউন্সেলর হিসেবে কাজ করেন। সেই সময় বাংলাদেশ সম্পর্কে তার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা ও পরিচিতি গড়ে ওঠে।
পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ক্রিস্টেনসেন যুক্তরাষ্ট্রের সিনিয়র ফরেন সার্ভিস কাউন্সিলের সদস্য। ২০২২ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তিনি যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্র্যাটেজিক কমান্ডে বৈদেশিক নীতি উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার কূটনৈতিক কর্মজীবনে ম্যানিলা, সান সালভাদর, রিয়াদ ও হো চি মিন সিটিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি ন্যাশনাল ওয়ার কলেজ থেকে ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্ট্র্যাটেজিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
এর আগে ঢাকায় সর্বশেষ মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পিটার হাস। তিনি ২০২২ সালের মার্চ থেকে ২০২৪ সালের এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশে কর্মরত ছিলেন। তার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর কিছু সময়ের জন্য ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পদটি শূন্য ছিল। সে সময়ে চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স হিসেবে দূতাবাসের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করেন ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন।
নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে ঢাকা ও ওয়াশিংটনের কূটনৈতিক সম্পর্ক নতুন গতি পাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au