মহানবীকে কটূক্তির অভিযোগে হিন্দু যুবক গ্রেপ্তার
মেলবোর্ন, ২২ এপ্রিল- খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটূক্তির অভিযোগে শ্যামল গাইন (২০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার…
মেলবোর্ন, ২০ জানুয়ারি- আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের বিশেষ পরামর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ব্রিটিশ আইনজীবী টবি ক্যাডম্যান জানিয়েছেন, তাঁর মেয়াদ ছয় মাস বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তবে তিনি সেই প্রস্তাব গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি ওই পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছেন।
সোমবার সন্ধ্যায় হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায় প্রথম আলোকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন টবি ক্যাডম্যান। তিনি বলেন, তাঁর নিয়োগ ছিল ১২ মাসের জন্য, যা ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে শেষ হয়। মেয়াদ শেষে আরও ছয় মাসের জন্য নবায়নের প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি তা গ্রহণ করেননি এবং আইন মন্ত্রণালয়কে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছেন।
এর আগে সোমবার বিকেলে ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যান ফেসবুকে এক পোস্টে লেখেন, চিফ প্রসিকিউটরের বিশেষ পরামর্শক পদ থেকে টবি ক্যাডম্যান পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন এবং এ বিষয়ে তিনি প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেছেন। ওই পোস্টের পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।
এ প্রসঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, টবি ক্যাডম্যানকে এক বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। সরকার শুরুতে তাঁর মেয়াদ বাড়ানোর কথা ভেবেছিল। তবে মেয়াদ শেষ হতে মাত্র কয়েক দিন বাকি থাকায় নতুন করে কোনো চুক্তিতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় আইন মন্ত্রণালয়। তাজুল ইসলামের ভাষ্য অনুযায়ী, টবি ক্যাডম্যান নিজেও মেয়াদ বাড়ানোর আগ্রহ দেখিয়েছিলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিষয়টি আর এগোয়নি।
তবে টবি ক্যাডম্যান এই ব্যাখ্যার সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, আইন উপদেষ্টা ও চিফ প্রসিকিউটরকে জানানোর পর তিনি প্রধান উপদেষ্টাকেও পদত্যাগের সিদ্ধান্তের কথা অবহিত করেছেন। মেয়াদ না বাড়ানোর সিদ্ধান্তটি তাঁর নিজের এবং সেটি তিনি সচেতনভাবেই নিয়েছেন।
চিফ প্রসিকিউটরের বিশেষ পরামর্শক পদে না থাকার পেছনের কারণ সম্পর্কে টবি ক্যাডম্যান বিস্তারিত কিছু জানাননি।
টবি ক্যাডম্যান লন্ডনভিত্তিক আন্তর্জাতিক আইন প্রতিষ্ঠান গার্নিকা ৩৭–এর যুগ্ম প্রধান। একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার চলাকালে তিনি অভিযুক্তদের পক্ষে আইনজীবী হিসেবে বাংলাদেশে আসতে চেয়েছিলেন, তবে সে সময় তাঁকে দেশে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়। পরে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ–অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি বাংলাদেশে আসেন এবং এরপর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের বিশেষ পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ পান।
তার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নবায়ন না নেওয়া এবং পদত্যাগের সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালকে ঘিরে চলমান আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au