ধ্বংসস্তূপে ১০ দিন পর জীবিত মিলল নিখোঁজ নারী
নেপালের ভয়াবহ বন্যায় নিখোঁজ হওয়ার ১০ দিন পর ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে চান্দিকা কুমারী শ্রেষ্ঠ নামে এক নারীকে। তাকে মৃত ধরে নিয়ে…
মেলবোর্ন, ১ ফেব্রুয়ারি- আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা সীমিত করার নির্দেশনা আসছে। এ অনুযায়ী বিকাশ, রকেট ও নগদ ব্যবহারকারীরা দিনে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা লেনদেন করতে পারবেন, যেখানে প্রতিটি লেনদেনের সীমা হবে এক হাজার টাকা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, ৮ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই নিয়ম কার্যকর থাকবে। এছাড়া ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে ব্যক্তিগ্রাহক থেকে অন্য ব্যক্তিগ্রাহকে টাকা স্থানান্তর করা বন্ধ থাকবে। মূল লক্ষ্য হলো নির্বাচনে ভোটারদের প্রভাবিত করতে টাকা ব্যবহার রোধ করা।
বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) এই প্রস্তাবনা দিয়েছে এবং কার্যকর করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে টাকার সীমা কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে। ইতিমধ্যে নগদ টাকা উত্তোলনের তদারকিও জোরদার করা হয়েছে, যাতে নির্বাচনে টাকার অপব্যবহার কম হয়।
বর্তমানে মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহারকারীরা দিনে একে অপরকে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পাঠাতে পারেন, মাসিক সীমা তিন লাখ টাকা। এক দিনে সর্বোচ্চ ৫০টি লেনদেন ও মাসে ১০০টি লেনদেন করা যায়। নির্বাচনের সময়ে এই সীমা পরিবর্তিত হয়ে প্রতি গ্রাহক ১০ বার, সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পাঠাতে পারবে।
ইন্টারনেট ব্যাংকিং ব্যবহারকারীরা বর্তমানে দিনে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা লেনদেন করতে পারেন, যেখানে প্রতিটি লেনদেনের সীমা তিন লাখ টাকা। তবে নির্বাচনের সময়ে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে টাকা স্থানান্তর বন্ধ রাখা হবে। জনপ্রিয় অ্যাপস যেমন ব্র্যাক ব্যাংকের আস্থা, সিটি ব্যাংকের সিটিটাচ, ইসলামী ব্যাংকের সেলফিন, ডাচ্–বাংলা ব্যাংকের নেক্সাস পে ও পূবালী ব্যাংকের পাই ব্যবহারকারীরা এই সেবা ব্যবহার করেন।
১১ জানুয়ারি থেকে নগদ জমা ও উত্তোলনের ক্ষেত্রে তদারকি জোরদার করা হয়েছে। কোনো এক দিনে ১০ লাখ টাকার বেশি লেনদেন হলে ব্যাংককে সিটিআর (Cash Transaction Report) বিএফআইইউর কাছে জমা দিতে হবে। সাপ্তাহিক ভিত্তিতেই এই প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।
ব্যাংক যদি অস্বাভাবিক লেনদেন শনাক্ত করে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নেয়, তবে শাস্তির আওতায় পড়বে। অর্থাৎ নির্বাচনের সময় টাকার অপব্যবহার রোধে সরকারের কড়া নজরদারি থাকবে।
এ নির্দেশনার মাধ্যমে ভোটারদের প্রভাবিত করতে টাকার অপব্যবহারের সম্ভাবনা কমানো এবং নির্বাচনী সচ্ছতা নিশ্চিত করা সরকারের মূল লক্ষ্য।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au