নির্বাচন ঘিরে অস্থিরতায় পাকিস্তানশাসিত কাশ্মীরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, নিহত ২৪
মেলবোর্ন, ২১ জুন- পাকিস্তানশাসিত কাশ্মীরে আইনসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে টানা বিক্ষোভ, ধর্মঘট ও সংঘর্ষে অন্তত ২৪ জন নিহত হওয়ার ঘটনা পুরো অঞ্চলকে গভীর সংকটে ফেলেছে। কয়েক…
মেলবোর্ন,৩ ফেব্রুয়ারি- রমজানকে সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের কৃত্রিম সংকট তৈরি ও মূল্যবৃদ্ধির অভিযোগে চট্টগ্রাম বন্দরে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগ রয়েছে, কিছু অসাধু আমদানিকারক ইচ্ছাকৃতভাবে পণ্য খালাস বিলম্বিত করে লাইটার জাহাজকে নদী ও সমুদ্রে ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহার করছেন, যার ফলে বাজারে সরবরাহ কমে গিয়ে দাম বাড়ছে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুদক জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১ এর একটি এনফোর্সমেন্ট টিম চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে এই অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন দুদকের সহকারী পরিচালক সাঈদ মোহাম্মদ ইমরান হোসেন।
দুদক জানায়, দীর্ঘদিন ধরে লাইটার জাহাজ থেকে পণ্য খালাস না করে সেগুলোকে বন্দর এলাকার নদী ও সাগরে ভাসমান অবস্থায় রাখা হচ্ছে। এতে একদিকে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
অভিযানকালে এনফোর্সমেন্ট টিম চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে উপস্থিত হয়ে অভিযোগ-সংক্রান্ত বিভিন্ন নথি ও রেকর্ডপত্র সংগ্রহ এবং প্রাথমিক পর্যালোচনা করে। একই সঙ্গে বন্দর ব্যবস্থাপনা ও পণ্য পরিবহন প্রক্রিয়ায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বক্তব্যও গ্রহণ করা হয়।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর ও আশপাশের এলাকায় পণ্য পরিবহন স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল করতে লোকাল এজেন্ট ও পণ্যের এজেন্টদের আইনি কাঠামোর আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের অনাপত্তি সনদ ছাড়া কোনো লোকাল বা পণ্যের এজেন্টকে বন্দর ব্যবহার করে পণ্য পরিবহনের কাজে যুক্ত না রাখতে গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর বন্দর কর্তৃপক্ষকে একটি অফিসিয়াল চিঠি দেয় নৌপরিবহন অধিদপ্তর।
তবে দুদকের এনফোর্সমেন্ট টিমকে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জানিয়েছেন, ওই নির্দেশনার পরও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এখনো নিয়মিতভাবে অনাপত্তি সনদ গ্রহণ করছে না। এই পরিস্থিতিতে বন্দর কর্তৃপক্ষের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা যথাযথ পদক্ষেপ নিয়েছেন কি না, তা যাচাই করতে ডেপুটি ট্রাফিক ম্যানেজার (অপারেশন), হারবার মাস্টার ও ডেপুটি কনজারভেটর দপ্তরের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া লাইটারেজ জাহাজের নিয়ন্ত্রণ ও তদারকিতে বিদ্যমান অস্পষ্টতা নিয়ে আইন ও বিধির আলোকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।
দুদক চট্টগ্রামের উপপরিচালক সুবেল আহমেদ বলেন, অভিযানে সংগৃহীত নথি ও বক্তব্য যাচাই-বাছাই করে দ্রুত সময়ের মধ্যে কমিশনের কাছে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au