নির্বাচন ঘিরে অস্থিরতায় পাকিস্তানশাসিত কাশ্মীরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, নিহত ২৪
মেলবোর্ন, ২১ জুন- পাকিস্তানশাসিত কাশ্মীরে আইনসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে টানা বিক্ষোভ, ধর্মঘট ও সংঘর্ষে অন্তত ২৪ জন নিহত হওয়ার ঘটনা পুরো অঞ্চলকে গভীর সংকটে ফেলেছে। কয়েক…
মেলবোর্ন ৭ ফেব্রুয়ারি- রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান ঘটাতে আগামী মার্চের মধ্যে একটি শান্তিচুক্তি সম্পন্ন করা এবং দ্রুত জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউক্রেন। তবে ভূখণ্ডসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে এখনো ঐকমত্যে পৌঁছানো না যাওয়ায় এই সময়সীমা পিছিয়ে যেতে পারে বলে আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে।
বিষয়টি সম্পর্কে অবগত তিনটি সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউক্রেনের প্রতিনিধিরা এমন একটি কাঠামো নিয়ে আলোচনা করেছেন, যেখানে সম্ভাব্য শান্তিচুক্তি ইউক্রেনের জনগণের অনুমোদনের জন্য গণভোটে তোলা হবে। একই সঙ্গে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে।
আলোচনার সঙ্গে পরিচিত দুটি সূত্র জানায়, নভেম্বরের কংগ্রেসনাল মধ্যবর্তী নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের মনোযোগ ধীরে ধীরে অভ্যন্তরীণ রাজনীতির দিকে সরে যেতে পারে। সে কারণে ইউক্রেন ইস্যুতে সময় ও রাজনৈতিক উদ্যোগ সীমিত হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই বাস্তবতায় ওয়াশিংটন দ্রুত অগ্রগতি নিশ্চিত করতে আগ্রহী।
সূত্রগুলো আরও জানায়, মে মাসে একসঙ্গে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের সম্ভাবনাও আলোচনায় এসেছে। তবে আলোচনায় যুক্ত কয়েকজন এই সময়সূচিকে বাস্তবসম্মত নয় বলে মনে করছেন।
ইউক্রেনের নির্বাচন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করতে অন্তত ছয় মাস সময় প্রয়োজন। সামরিক আইন জারি থাকায় দেশটিতে বর্তমানে নির্বাচন ও গণভোট আইনগতভাবে নিষিদ্ধ। এজন্য আইন সংশোধনের পাশাপাশি বড় অঙ্কের ব্যয়ের বিষয়টিও সামনে আসছে।
আলোচনার সঙ্গে যুক্ত এক সূত্র বলেন, “আমেরিকানরা দ্রুত এগোতে চাইছে। ছয় মাসের কম সময়েও ভোট আয়োজন করা সম্ভব, তবে তা মোটেও সহজ নয়।”
ইউক্রেনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, ভোটের পুরো সময়জুড়ে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকতে হবে, যাতে গণভোট ও নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করা যায়। তবে কিয়েভের অভিযোগ, অতীতে রাশিয়া একাধিকবার যুদ্ধবিরতির প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে।
আরেকটি সূত্র জানায়, যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য মিত্র দেশের কাছ থেকে সুস্পষ্ট নিরাপত্তা নিশ্চয়তা না পাওয়া পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে যেতে রাজি নয় ইউক্রেন।
এদিকে ভূখণ্ড প্রশ্নে দুই পক্ষের অবস্থান এখনো দূরত্বে রয়েছে। রাশিয়া পুরো দোনবাস অঞ্চল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে চাইলেও ইউক্রেন একে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য বলে জানিয়েছে। জাপোরিঝঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ নিয়েও মতপার্থক্য রয়ে গেছে।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দ্বিতীয় দফা আলোচনা সম্প্রতি আবুধাবিতে শেষ হয়েছে। ওই আলোচনার ফলে ৩১৪ জন যুদ্ধবন্দি মুক্তি পেয়েছেন এবং আলোচনা অব্যাহত রাখার বিষয়ে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, পরবর্তী ত্রিপক্ষীয় বৈঠক শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হতে পারে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au