আরব আমিরাতের বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলার দাবি ইরানের
মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটিতে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। শনিবার দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)…
পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে মঙ্গলবার দুটি আত্মঘাতী বোমারু গাড়ি বিস্ফোরণের ঘটনায় কমপক্ষে ১২ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে ৬ জন শিশু। পুলিশ ও উদ্ধারকর্মীরা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
একটি নিরাপত্তা স্থাপনার কাছে বিস্ফোরণটি ঘটে, যার ফলে কাছাকাছি একটি মসজিদের ছাদ ধসে পড়ে। রমজান মাসের স্থানীয় বাজারে এই হামলা ঘটে, যখন দোকান ও বাজারে ক্রেতাদের ভিড় ছিল। একজন সামরিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বিস্ফোরণের পর সন্ত্রাসীদের সামরিক স্থাপনায় প্রবেশের চেষ্টা নিরাপত্তা বাহিনী ব্যর্থ করে দেয়। এ সময় গোলাগুলিতে ৬ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়।
এই হামলার দায়িত্ব এখনো কেউ স্বীকার করেনি। তবে গত কয়েক বছর ধরে আফগান সীমান্তের কাছে পাকিস্তানি তালেবান (টিটিপি) নামক সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর পুলিশ ও সেনাবাহিনীর উপর হামলা বেড়েছে।
নিকটবর্তী একটি হাসপাতালের মুখপাত্র মুহাম্মদ নোমান জানান, মঙ্গলবারের হামলায় ১২ জন নিহত এবং ৩০ জন আহত হয়েছেন। সবাই বেসামরিক নাগরিক, যারা ধসে পড়া দালান ও দেয়ালের নিচে চাপা পড়েন। আগের দিন হাসপাতালের তালিকায় শিশু নিহতের সংখ্যা ৭ জন বলা হলেও বুধবার তা সংশোধন করে ৬ জনে নামিয়ে আনা হয়।
উদ্ধারকর্মীরা ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপ থেকে আরও হতাহতের সন্ধান করছেন। ঘটনাস্থলের ভিডিওতে দেখা গেছে, লোকেরা ইটের স্তূপ সরাচ্ছে এবং ধাতব কাঠামো পরিষ্কার করছে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ এই হামলার নিন্দা করে এক বিবৃতিতে বলেন, “পাকিস্তানের শত্রুদের ইচ্ছা কখনোই সফল হতে দেওয়া হবে না।”
এই বিস্ফোরণ ঘটেছে খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে, যার মুখ্যমন্ত্রী আলী আমিন গান্দাপুরও ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন।
সূত্র: রয়টার্স
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au