ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ফুল দিতে এসে গ্রেপ্তার ৪, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা
মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ফুল দিতে এসে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন চারজন। তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দিয়ে আদালতে…
মেলবোর্ন ২৮ ফেব্রুয়ারি- মার্কিন পপ সংগীতশিল্পী ডিফোরডি। যার আসল নাম ডেভিড অ্যান্থনি বার্ক, তিনি এক ১৪ বছর বয়সী কিশোরী হত্যা মামলার প্রধান ‘সন্দেহভাজন’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন। সম্প্রতি ক্যালিফোর্নিয়ার একটি আদালতের সিলমোহরকৃত নথি প্রকাশ্যে আসার পর এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানা গেছে।
গত বছরের সেপ্টেম্বরে এই গায়কের ব্যবহৃত গাড়ি থেকে ওই কিশোরীর খণ্ডিত দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছিল।
আদালতের নথিপত্র অনুযায়ী, লস অ্যাঞ্জেলেসের একটি গ্র্যান্ড জুরি এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করছে। তদন্তকারীদের ধারণা, সেলেস্তে রিভাস হার্নান্দেজ নামক ওই কিশোরীকে হত্যার পেছনে গায়কের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে। যদিও এখন পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ গঠন করা হয়নি বা তাকে সরাসরি অভিযুক্ত হিসেবে ঘোষণা করা হয়নি, তবে তদন্ত প্রক্রিয়া বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানা গেছে।
ঘটনার সূত্রপাত হয় ২০২৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর, যখন হলিউডের একটি টো ইয়ার্ডে রাখা একটি টেসলা গাড়ির ভেতর থেকে তীব্র দুর্গন্ধ পাওয়া যায়। পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে গাড়ির সামনের বুট থেকে একটি ব্যাগে ওই কিশোরীর পচাগলা মাথা ও দেহের অংশ উদ্ধার করে। পরে আরও তল্লাশিতে খণ্ডিত হাত ও পা উদ্ধার করা হয়।
জানা গেছে, গাড়িটি টেক্সাসে ডিফোরডির ঠিকানায় নিবন্ধিত ছিল। সেলেস্তে রিভাস হার্নান্দেজ নামের ওই কিশোরী ২০২৪ সালের এপ্রিল থেকে নিখোঁজ ছিল। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে জানানো হয়েছে, উদ্ধারের কয়েক সপ্তাহ আগেই তার মৃত্যু হয়েছিল।
এই মামলার তদন্তের স্বার্থে ডিফোরডির বাবা দাউদ বার্ক, মা কলিন এবং ভাই ক্যালেবকে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য ক্যালিফোর্নিয়া আদালতে তলব করা হয়েছে। তবে গায়কের পরিবার এই সমনের বিরোধিতা করে টেক্সাসের একটি আদালতে আপিল করেছেন।
তাদের দাবি, যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই তাদের ভিনরাজ্যে গিয়ে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। অন্যদিকে, গায়কের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন যে তিনি পুলিশের সঙ্গে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করছেন।
পুরো বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে গোপনীয়তা বজায় রাখা হলেও আদালতের নতুন এই নথিপত্র মামলার মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। লস অ্যাঞ্জেলেস পুলিশ বিভাগ এবং জেলা অ্যাটর্নির কার্যালয় বর্তমানে অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে এই ‘হাই-প্রোফাইল’ মামলার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। বিনোদন জগতের একজন উদীয়মান তারকার নাম এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ায় বিশ্বজুড়ে তার ভক্ত ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
সূত্র: বিবিসি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au