সমাধানের পথ নেই, বাংলাদেশের সামনে ভয়াবহ পরিস্থিতি
মেলবোর্ন, ০৭ মার্চ- ইরানের সাথে ইসরায়েল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদের যুদ্ধে বাংলাদেশ নেই। কিন্তু সেই যুদ্ধের রেশ সবচেয়ে বেশি যেসব দেশে পড়েছে বাংলাদেশ তার…
মেলবোর্ন, ৬ মার্চ- বাগেরহাটে পূবালী ব্যাংকের লকারে রাখা এক গ্রাহকের প্রায় ২০০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার উধাও হওয়ার অভিযোগে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি তদন্তে নেমেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।
ভুক্তভোগী সুমন কুমার দাস বুধবার ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৫ সালের ১৫ অক্টোবর বাগেরহাট শাখার একটি লকারে তার পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনের প্রায় ২০০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার সংরক্ষণ করা হয়। সম্প্রতি পারিবারিক একটি অনুষ্ঠানের জন্য লকার থেকে স্বর্ণ নিতে গেলে দেখা যায়, সেখানে কোনো স্বর্ণালঙ্কার নেই। তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি ব্যাংক কর্মকর্তা ও পুলিশ প্রশাসনকে জানানো হলে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ হাচান চৌধুরী এবং পিবিআই পুলিশ সুপার মো. আল মামুনসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সংশ্লিষ্ট শাখা পরিদর্শনে যান। তারা কয়েক ঘণ্টা ধরে লকার ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা করেন।
সুমন কুমার দাস বলেন, লকারে তার নিজের পাশাপাশি আত্মীয়-স্বজনদের স্বর্ণালঙ্কারও রাখা ছিল। হঠাৎ এভাবে সব স্বর্ণ উধাও হয়ে যাওয়ায় তারা চরম সংকটে পড়েছেন। কীভাবে এই ঘটনা ঘটল, তা দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দায়ীদের চিহ্নিত করার দাবি জানান তিনি।
ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. মনিরুল আমিন জানান, গ্রাহকের অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি পুলিশ প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, এ ধরনের ঘটনা এই শাখায় প্রথম। তার ভাষ্য অনুযায়ী, লকারে গ্রাহক স্বর্ণ রাখার সময় কোনো আলাদা ঘোষণা দেননি। লকার ব্যবস্থাপনায় গ্রাহকের অংশের চাবি গ্রাহকের কাছেই থাকে এবং ওই অংশের চাবি ব্যাংকের কাছে সংরক্ষিত থাকে না। পুরো বিষয়টি তদন্তাধীন এবং তদন্ত শেষ হলে প্রকৃত ঘটনা স্পষ্ট হবে বলে জানান তিনি।
বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. শামীম হোসেন বলেন, ব্যাংকের লকার থেকে স্বর্ণালঙ্কার খোয়া যাওয়ার অভিযোগের পর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তদন্তের মাধ্যমে কারও গাফিলতি বা সম্পৃক্ততা আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে দায় নির্ধারণ করা হবে।
এদিকে একই ভবনে অবস্থিত নগদ ডিস্ট্রিবিউশন হাউজ থেকে প্রায় ৩৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদিন আগে একটি মামলা হয়েছে। ওই প্রতিষ্ঠানের হিসাবরক্ষক মো. মনিরুজ্জামন টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় বাগেরহাট সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের হয়েছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au