ধর্ম অবমাননার মামলায় পডকাস্ট উপস্থাপক রেহান তারিকের জামিন মঞ্জর
মেলবোর্ন, ২২ জুলাই: পাকিস্তানের লাহোরের একটি সেশনস আদালত মঙ্গলবার ধর্ম অবমাননা আইন ও প্রিভেনশন অব ইলেকট্রনিক ক্রাইমস অ্যাক্ট (পেকা), ২০১৬-এর অধীনে দায়ের করা মামলায় পডকাস্ট…
মেলবোর্ন, ১১ মার্চ- মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে তেলবাহী জাহাজ আটকে যাওয়ায় ভারতীয় নৌসেনা হরমুজ প্রণালীতে রণতরী পাঠানোর বিষয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে। দেশটির তেলের নিরাপদ সরবরাহ নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যেখানে ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে রণতরী ছাড়া কোনো জাহাজ এই পথে যেতে পারবে না।
নিউইয়র্ক টাইমসের রিপোর্টে বলা হয়েছে, হরমুজে আটকে থাকা ভারতের তেলের জাহাজগুলির মালিকরা নৌসেনার নিরাপত্তা চেয়ে অনুরোধ করেছেন। এর পরেই নৌসেনা জাহাজ পাঠানোর বিষয়ে কেন্দ্রীয় স্তরে পরিকল্পনা শুরু করেছে।
এ ঘটনায় এখনও সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করা হয়নি। তবে ভারতের কর্মকর্তারা ইরানের প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত ফোনালাপে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছেন।
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় মঙ্গলবারই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সিনিয়র মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে বিদেশমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর, জ্বালানি মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন ও বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ছিল, পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংকটের প্রভাব দেশের জ্বালানি সরবরাহে যেন না পড়ে।
সংকট সত্ত্বেও দেশের পরিস্থিতি কিছুটা অস্থিতিশীল আছে। এলপিজি সিলিন্ডারের ঘাটতির কারণে মুম্বাই, বেঙ্গালুরু ও পুনেসহ বড় শহরগুলোতে হোটেল ও রেস্তোরাঁ বন্ধ রাখতে হয়েছে। রান্নার গ্যাসের দামও এক ধাক্কায় ৬০ টাকা বেড়ে গেছে। সরকার আশ্বস্ত করলেও ডেলিভারি ঠিকঠাক হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।
এই পরিস্থিতিতে হরমুজে ভারতীয় রণতরী পাঠানো কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে এবং সংকট মোকাবিলায় সহায়ক হবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au