সরকারে ফেরার পর প্রথম মাসে কতটা সফল বিএনপি
মেলবোর্ন, ১৯ মার্চ- বাংলাদেশে তারেক রহমান–এর নেতৃত্বে গঠিত বিএনপি সরকারের এক মাস পূর্ণ হয়েছে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর ১৭…
মেলবোর্ন, ১৯ মার্চ- মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে বাংলাদেশে জেট ফুয়েলের দামে অস্বাভাবিক বৃদ্ধি দেখা দিয়েছে। মাত্র ১০ দিনের ব্যবধানে দুই দফায় লিটারপ্রতি প্রায় ১০০ টাকা বাড়ায় দেশের এভিয়েশন খাতে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বর্তমানে অভ্যন্তরীণ রুটে জেট ফুয়েলের দাম লিটারপ্রতি ১৯৪ টাকা ১৮ পয়সায় পৌঁছেছে। এর আগে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন ৮ মার্চ দাম বাড়িয়ে ৯৫ টাকা ১২ পয়সা থেকে ১১২ টাকা ৪১ পয়সা নির্ধারণ করে। এরপর অল্প সময়ের ব্যবধানে আবারও বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধি করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক রুটের ক্ষেত্রেও একই প্রবণতা দেখা গেছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন গত ১০ দিনে দুই দফায় দাম বাড়িয়ে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের মূল্য শূন্য দশমিক ৬২৫৭ ডলার থেকে ১ দশমিক ২৬৮৯ ডলারে উন্নীত করেছে।
এভিয়েশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একটি এয়ারলাইনসের মোট পরিচালন ব্যয়ের প্রায় অর্ধেকই জেট ফুয়েলের পেছনে ব্যয় হয়। ফলে এই হঠাৎ মূল্যবৃদ্ধি পুরো খাতকে চাপে ফেলেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বালানির এই বাড়তি খরচ সামাল দিতে এয়ারলাইনসগুলোকে ভাড়া বাড়াতে হতে পারে। তবে এতে যাত্রী সংখ্যা কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা আবার ব্যবসায়িক ক্ষতির ঝুঁকি বাড়াবে।
এছাড়া কম লাভজনক রুটে ফ্লাইট কমানো বা বন্ধ করার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। এতে দেশের আঞ্চলিক যোগাযোগ এবং পর্যটন খাত ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। একই সঙ্গে কার্গো পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় পণ্যের দামের ওপরও প্রভাব পড়তে পারে।
বিশেষ করে ছোট ও নতুন এয়ারলাইনসগুলোর জন্য এই পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে, কারণ তাদের আর্থিক সক্ষমতা তুলনামূলক সীমিত।
এই প্রেক্ষাপটে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জ্বালানি মূল্য নির্ধারণে ভারসাম্যপূর্ণ নীতি গ্রহণ জরুরি। পাশাপাশি এয়ারলাইনসগুলোকেও জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধি, ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং রুট ব্যবস্থাপনায় কৌশলগত পরিবর্তনের দিকে আরও মনোযোগ দিতে হবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au