বিশ্বমঞ্চে বাংলা নববর্ষ, সিডনি অপেরা হাউসে বর্ণাঢ্য বৈশাখী উদ্যাপন
মেলবোর্ন, ২০ এপ্রিল- অস্ট্রেলিয়ার সিডনি অপেরা হাউসে প্রথমবারের মতো বাঙালির প্রাণের উৎসব বাংলা নববর্ষকে ঘিরে বৈশাখী উৎসব উদ্যাপিত হয়েছে। ১৭ এপ্রিল সন্ধ্যায় বিশ্বের অন্যতম এই…
মেলবোর্ন, ১৯ এপ্রিল- জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে জনবল নিয়োগকে ঘিরে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আগেই গোপনে ভাইভা নেওয়া হয়েছে বলে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, যা সরকারি নিয়োগ নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তথ্য অনুযায়ী, জাদুঘরের ৬২টি পদে নিয়োগের জন্য আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয় ২৮ জানুয়ারি। কিন্তু তার দুই দিন আগেই, অর্থাৎ ২৬ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত গোপনে ভাইভা নেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, এসব প্রার্থীর কারোরই লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয়নি, যা নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলেছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, আবেদনের সময়সীমা ছিল ৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। অথচ আবেদন শেষ হওয়ার আগেই ভাইভা সম্পন্ন করা হয়। এমনকি সরকারি বিধি অনুযায়ী যেখানে অন্তত ২১ দিন সময় দেওয়ার কথা, সেখানে মাত্র সাত দিন সময় দেওয়া হয় আবেদন জমার জন্য।
জুলাই জাদুঘরের এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের বিষয়টি ফেব্রুয়ারি মাসে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয় এবং শেষ পর্যন্ত নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। তবে শুরুতে অভিযোগ অস্বীকার করে জাদুঘর কর্তৃপক্ষ দাবি করেছিল, কাউকে গোপনে ডাকা হয়নি এবং প্রচারিত তথ্য ভিত্তিহীন।
কিন্তু অনুসন্ধানে পাওয়া সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, অফিস সময় শেষ হওয়ার পর জাতীয় জাদুঘরের সুফিয়া কামাল মিলনায়তন ও সিনে কমপ্লেক্স এলাকায় একাধিক ব্যক্তি প্রবেশ করছেন, অপেক্ষা করছেন এবং একে একে সাক্ষাৎকারে অংশ নিচ্ছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে, এদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন নিয়োগপ্রত্যাশী।
এ বিষয়ে এক প্রার্থী মো. ফারুক জানান, তিনি ২৭ জানুয়ারি হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা পদে ভাইভা দিয়েছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত কয়েক দফায় সাক্ষাৎকার নেওয়া হয় এবং সেখানে প্রায় শতাধিক প্রার্থী উপস্থিত ছিলেন।
জাদুঘরের প্রধান কিউরেটর তানজিম ইবনে ওয়াহাব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, কোনো নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়নি এবং যা হয়েছে তা স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট, নিয়োগের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
অন্যদিকে জাতীয় জাদুঘরের সচিব মো. সাদেকুল ইসলাম বলেন, নিয়োগের জন্য সাত সদস্যের একটি কমিটি রয়েছে এবং আর্থিক লেনদেন বা অনিয়মের অভিযোগ সঠিক নয়।
তবে অনুসন্ধান সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, পছন্দের প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দিতে আগেভাগেই গোপনে বাছাই প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছিল। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিয়োগ ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au