বিশ্বমঞ্চে বাংলা নববর্ষ, সিডনি অপেরা হাউসে বর্ণাঢ্য বৈশাখী উদ্যাপন
মেলবোর্ন, ২০ এপ্রিল- অস্ট্রেলিয়ার সিডনি অপেরা হাউসে প্রথমবারের মতো বাঙালির প্রাণের উৎসব বাংলা নববর্ষকে ঘিরে বৈশাখী উৎসব উদ্যাপিত হয়েছে। ১৭ এপ্রিল সন্ধ্যায় বিশ্বের অন্যতম এই…
মেলবোর্ন, ১৯ এপ্রিল- সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া পরিচয়ে ধর্মীয় উসকানিমূলক পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য এক হিন্দু ব্যক্তির নাম ও ছবি ব্যবহার করে ফেসবুকে পবিত্র কোরআন অবমাননার অভিযোগ তুলে বিভ্রান্তি ছড়ানোর ঘটনায় এই পদক্ষেপ নেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
ঘটনাটি সামনে আসে যখন ‘শংকর পাল’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে ধর্মীয় অবমাননাকর পোস্ট ছড়ানোর অভিযোগে বিভিন্ন পোস্ট ভাইরাল হতে থাকে। কিছু পেজ থেকে ওই ব্যক্তিকে খুঁজে বের করার আহ্বানও জানানো হয়। তবে যাচাই করে দেখা যায়, অভিযুক্ত শংকর কুমার পাল ওই আইডির সঙ্গে জড়িত নন এবং এটি সম্পূর্ণ ভুয়া।
ভুক্তভোগী শংকর কুমার পাল ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, অজ্ঞাত ব্যক্তিরা তার নাম ও ছবি ব্যবহার করে ভুয়া আইডি খুলে মিথ্যা ও উসকানিমূলক পোস্ট ছড়াচ্ছে, যা তার ব্যক্তিগত সুনাম ও পারিবারিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করেছে। বিষয়টি জানার পর তিনি নিজেই সামাজিক মাধ্যমে সতর্কতামূলক বার্তা দেন এবং জড়িতদের বিচারের দাবি জানান।
তদন্তে আরও জানা গেছে, কোরআন অবমাননার যে ছবিটি ব্যবহার করা হয়েছে, সেটি নতুন নয়; বরং আগেই অনলাইনে প্রচারিত একটি পুরোনো ছবি। সংশ্লিষ্ট ভুয়া আইডিটি খোলা হয় চলতি বছরের ৭ এপ্রিল এবং অল্প সময়ের মধ্যেই এতে বিতর্কিত পোস্ট দেওয়া হয়, যা পরে সমালোচনার মুখে সরিয়ে ফেলা হয়।
এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার এলাকা থেকে প্রদীপ পাল (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে। র্যাব জানিয়েছে, তিনি শুধু শংকর কুমার পালের নামই নয়, আরও এক নারীর পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ভুয়া আইডি খুলে অশ্লীল, মানহানিকর ও ধর্মীয় উসকানিমূলক পোস্ট দিতেন এবং সেসবের মাধ্যমে চাঁদাবাজির অভিযোগও রয়েছে।
এ বিষয়ে আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবুল হাসনাত খান জানিয়েছেন, প্রকৃত ব্যক্তির নাম ও ছবি ব্যবহার করে অন্য কেউ এই অপকর্ম চালিয়েছে। অভিযুক্তকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, সামাজিক মাধ্যমে ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে ধর্মীয় বিভ্রান্তি তৈরি করা গুরুতর অপরাধ। এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠেকাতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au