সাংবাদিক নির্যাতনের প্রতিবাদ ও কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তির দাবি
মেলবোর্ন, ২৮ এপ্রিল- ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে রাজনীতিবিদ ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণীপেশার লোকদের ওপরও নেমে আসে নির্মম…
মেলবোর্ন, ২৮ এপ্রিল- ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া সরকার গুরুতর শ্রমিক সংকট থাকা সত্ত্বেও আঞ্চলিক শহরগুলোতে সরকারি কর্মীদের জন্য ৫০০টির বেশি বাড়ি নির্মাণের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। কুক সরকারের ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট এবং “সেভেন সিটিজ” ভিশনের অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সরকার জানিয়েছে, আগামী পাঁচ বছরে আঞ্চলিক বিভিন্ন এলাকায় এসব বাড়ি নির্মাণ করা হবে, যাতে পুলিশ, শিক্ষক ও নার্সদের মতো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কর্মীদের আকর্ষণ এবং ধরে রাখা সহজ হয়।
এই পরিকল্পনার সবচেয়ে বড় সুবিধা পাবে পিলবারা অঞ্চল। সেখানে পোর্ট হেডল্যান্ড ও কারাথায় মোট ৩০৫টি বাড়ি নির্মাণের কথা রয়েছে। এছাড়া কালগুর্লি, ব্রুম, জেরাল্ডটন ও অ্যালবানি শহরেও নতুন আবাসন সুবিধা গড়ে তোলা হবে।
৪১৯ মিলিয়ন ডলারের এই প্রকল্পের একটি অংশ বড় খনি কোম্পানিগুলো অর্থায়ন করছে। ‘গভর্নমেন্ট রিজিওনাল অফিসার হাউজিং’ (জিআরওএইচ) কর্মসূচির আওতায় এসব বাড়ি ভর্তুকি মূল্যে দেওয়া হবে।
তবে পরিকল্পনাটি স্বাগত জানানো হলেও, বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে শ্রমিক সংকট এবং কর্মীদের জন্য পর্যাপ্ত আবাসনের অভাব এই উদ্যোগের বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মাস্টার বিল্ডার্স ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাহী ম্যাট মোরান বলেন, “আমাদের মূল উদ্বেগ হচ্ছে, এই প্রকল্প বাস্তবায়ন কীভাবে সম্ভব হবে।”
তিনি জানান, রাজ্যের দক্ষিণাঞ্চলের এক নির্মাতা কর্মীদের থাকার ব্যবস্থা করতে না পেরে চারটি ক্যারাভান কিনতে বাধ্য হয়েছেন। তার মতে, পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারকে মডুলার নির্মাণ পদ্ধতির মতো বিকল্প চিন্তা করতে হতে পারে।
মোরান আরও বলেন, “ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ায় শ্রমিকের গুরুতর সংকট রয়েছে, আর আঞ্চলিক এলাকাগুলোতে এই সংকট আরও তীব্র।” তিনি উল্লেখ করেন, জেরাল্ডটনের এক নির্মাতা শ্রমিক আকর্ষণে নগদ প্রণোদনা দেওয়ার প্রস্তাব পর্যন্ত দিয়েছেন।
অন্যদিকে, রাজ্যের প্রিমিয়ার রজার কুক বলেছেন, দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্পের নিশ্চয়তা পেলে নির্মাণ খাত নিজেই প্রয়োজনীয় শ্রমিক জোগাড় করতে সক্ষম হবে।
তিনি বলেন, “যদি নির্মাণ খাতে ধারাবাহিক কাজের সংকেত দেওয়া যায়, তাহলে প্রতিষ্ঠানগুলো শ্রমিক আনা ও প্রস্তুত রাখতে বিনিয়োগ করে।”
সরকারের এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে আঞ্চলিক শহরগুলোতে আবাসন সংকট কিছুটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে, যদিও শ্রমিক ঘাটতি বড় বাধা হয়ে থাকতে পারে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au