যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে পৌঁছেছে বৃষ্টির মরদেহ
মেলবোর্ন, ৯ মে- যুক্তরাষ্ট্রে নৃশংস দ্বৈত হত্যাকাণ্ডের শিকার ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার পিএইচডি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। শনিবার (৯ মে) সকাল ৯টা…
মেলবোর্ন, ৯ মে- বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে ৬ থেকে ৯ মে পর্যন্ত আকাশসীমায় বিধিনিষেধ জারি করেছে ভারত, যা ঘিরে দেশটির সম্ভাব্য দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার জল্পনা তীব্র হয়েছে। ভারতীয় কর্তৃপক্ষের জারি করা ‘নোটাম’ বা নোটিস টু এয়ারমেন প্রকাশের পর প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মধ্যে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।
ভারতীয় এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই নিষিদ্ধ আকাশপথটি ওডিশা উপকূলের আবদুল কালাম দ্বীপ থেকে বঙ্গোপসাগরের গভীর অংশ পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার ৫৬০ কিলোমিটার বিস্তৃত। এই দ্বীপটি ভারতের কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার অন্যতম প্রধান উৎক্ষেপণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
বিশ্লেষকদের ধারণা, ভারত হয়তো তাদের নতুন প্রজন্মের আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘অগ্নি-৬’-এর পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ১০ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি হতে পারে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই প্রযুক্তির মাধ্যমে একটি ক্ষেপণাস্ত্র থেকে একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা সম্ভব। ফলে ভারতের কৌশলগত প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
ভারত বঙ্গোপসাগর এরিয়াতে তাদের একটি মিসাইল টেস্ট করেছে।এটি Agni – 4 হিসেবে সন্দেহ করা হচ্ছে।এর আগে তারা বঙ্গোপসাগর এর আকাশ পথে NOTAM জারি করেছে।
NOTAM এর অর্থ হলো (Notice to Air Missions, formerly Notice to Airmen) বাংলাদেশের সমুদ্র কাছাকাছি উপকূলীয় সকল অঞ্চল থেকে এটি দেখা গেছে।তারা সাগরের ৩৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত NOTAM জারি করেছিলো।তবে এই মিসাইলটির 3500 – 4000 Km Cover করতে সক্ষম হাইপার সনিক গতিতে।
বাংলাদেশের পশ্চিম অঞ্চলে দক্ষিণ আকাশে যে মিসাইল আকৃতির চেয়ে আলোকরশ্মি দেখা গিয়েছে সেটি ভারতেরই মিসাইল টেস্ট বলে ধারণা করা যাচ্ছে।
যদিও ভারত সরকার এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার কথা ঘোষণা করেনি, তবে আকাশসীমা সীমিত করার এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
সাম্প্রতিক সময়ে ভারত তার প্রতিরক্ষা ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা বাড়াতে একের পর এক উদ্যোগ নিচ্ছে। এর আগে অগ্নি সিরিজের বিভিন্ন ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে পরীক্ষা করেছে দেশটি। নতুন এই সম্ভাব্য পরীক্ষা দক্ষিণ এশিয়া ও ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের কৌশলগত ভারসাম্যে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
সুত্রঃ টাইমস অব ইন্ডিয়ার
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au