তিন দিনের পারমাণবিক মহড়া শুরু করেছে রাশিয়া
মেলবোর্ন, ১৯ মে- ইউক্রেন যুদ্ধকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই তিন দিনব্যাপী পারমাণবিক অস্ত্রসংক্রান্ত সামরিক মহড়া শুরু করেছে রাশিয়া। মঙ্গলবার (১৯ মে) থেকে শুরু হওয়া এই…
মেলবোর্ন, ১৯ মে: আইএস-সংশ্লিষ্ট আরও ছয় অস্ট্রেলীয় নারী ও তাদের সন্তানদের আগামী সপ্তাহের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়ায় ফিরিয়ে আনার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে। এ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার লেবার সরকারের বিরুদ্ধে “তথ্য গোপন” ও “রাজনৈতিক স্পিন” করার অভিযোগ তুলেছে বিরোধী কোয়ালিশন।
অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম দ্য অস্ট্রেলিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে সিরিয়ার আল-রোজ আটক শিবিরে থাকা ওই নারীদের ফিরিয়ে আনার জন্য কুর্দি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে। জরুরি ভিত্তিতে পুনর্বাসন কার্যক্রম এগিয়ে নিতে একটি সমঝোতার পর এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, চলতি সপ্তাহে সিরীয় কর্মকর্তারা গোপনে ওই দলটিকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তবে কুর্দি কর্তৃপক্ষ হস্তক্ষেপ করায় সেই প্রক্রিয়া সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী মঙ্গলবার রাতেই তারা অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছাতে পারে। তবে ভ্রমণ সংক্রান্ত চূড়ান্ত ব্যবস্থা সম্পন্ন হওয়ার ওপর সময় নির্ভর করছে। বর্তমানে দামেস্ক থেকে বিমান ভাড়ার অর্থ পাঠানোর অনুমোদন নেওয়া হচ্ছে।
জানা গেছে, আলবেনিজ সরকারের জারি করা বহিষ্কার আদেশের আওতায় থাকা এক নারী সিরিয়াতেই থেকে যেতে পারেন।
লেবার সরকার দাবি করেছে, এই ব্যক্তিদের ফিরিয়ে আনতে সরকার কোনো ধরনের সহায়তা দেয়নি। তবে প্রশ্ন উঠেছে, কীভাবে তাদের পাসপোর্ট দেওয়া হলো এবং কেন অস্থায়ী বহিষ্কার আদেশ কার্যকর করা হয়নি।

আইএস-সংশ্লিষ্ট নারীদের অস্ট্রেলিয়ায় ফেরানোর ইস্যুতে লেবার সরকার “তথ্য গোপন করে রাজনৈতিক স্পিন দিচ্ছে” বলে অভিযোগ তুলেছেন বিরোধী দলের অভিবাসনবিষয়ক মুখপাত্র জনো ডুনিয়াম।
এ বিষয়ে বিরোধী দলের স্বরাষ্ট্রবিষয়ক মুখপাত্র জনাথন ডুনিয়াম সরকারের কাছে জবাব দাবি করেছেন। তিনি বলেন, “আলবেনিজ সরকার আর রাজনৈতিক স্পিনের আড়ালে লুকিয়ে থাকতে পারে না, যখন আরও আইএস-সংশ্লিষ্ট অস্ট্রেলীয় দেশে ফিরে আসছে।”
তিনি আরও বলেন, “সম্প্রতি ফিরে আসা চারজন প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে তিনজনকে গুরুতর অপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যা ঝুঁকির মাত্রা সম্পর্কে অনেক কিছু বলে দেয়।”
ডুনিয়াম অভিযোগ করেন, সরকার কেন অস্থায়ী বহিষ্কার আদেশ ও পাসপোর্ট নিয়ন্ত্রণসহ সব ধরনের ক্ষমতা ব্যবহার করছে না, তা জনগণ জানতে চায়।
তার ভাষায়, “অস্ট্রেলীয় জনগণের জানার অধিকার আছে, কী ধরনের সহায়তা দেওয়া হয়েছে, পাসপোর্ট বা ভ্রমণ নথি দেওয়া হয়েছে কি না, কনস্যুলার সহায়তা বা ভ্রমণ ব্যবস্থাপনায় সরকার জড়িত ছিল কি না এবং বর্তমানে তাদের ওপর কী ধরনের নিরাপত্তা নজরদারি চলছে।”
তিনি বলেন, “এটি সরাসরি জাতীয় নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত। জনগণের প্রতি সৎ থাকা সরকারের দায়িত্ব।”
কোয়ালিশনের অভিযোগ, সীমান্ত নিরাপত্তা, স্বচ্ছতা ও জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যুতে লেবার সরকার অত্যন্ত দুর্বল অবস্থান নিয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au