ইরানি হামলায় সব ফ্লাইট বাতিল করল ইজিপ্টএয়ার
মেলবোর্ন, ৪ জুন- কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় দুই দিনের সব ফ্লাইট বাতিল করেছে মিসরের রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা…
মেলবোর্ন, ৩ জুন- জোরপূর্বক শ্রম (ফোর্সড লেবার) রোধে ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে বাংলাদেশসহ ৬০টি দেশের পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। প্রস্তাব অনুযায়ী, এসব দেশের পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ থেকে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত শুল্ক বসানো হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর (ইউএসটিআর) এ সংক্রান্ত প্রস্তাব প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি দাবি করেছে, তালিকাভুক্ত দেশগুলো জোরপূর্বক শ্রম প্রতিরোধে যথাযথ ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে ব্যর্থ হয়েছে, যার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার ও বাণিজ্যে অসাম্য প্রতিযোগিতার সৃষ্টি হচ্ছে।
প্রস্তাবিত তালিকায় বাংলাদেশ, কানাডা, ইকুয়েডর, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ইন্দোনেশিয়া, মেক্সিকো, পাকিস্তান, আর্জেন্টিনা, কম্বোডিয়া, এল সালভাদর, গুয়াতেমালা, মালয়েশিয়া, তাইওয়ান ও যুক্তরাজ্যসহ আরও বেশ কয়েকটি দেশ রয়েছে। এর মধ্যে কিছু দেশের পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ এবং বাকি দেশগুলোর ওপর ১২ দশমিক ৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের কথা বলা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিয়েসন গ্রিয়ার বলেন, জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্য বাজারে প্রবেশ করলে তা শুধু মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রশ্নই নয়, বরং মার্কিন শ্রমিকদের জন্য বৈশ্বিক বাজারে অন্যায্য প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরি করে। এ ধরনের পরিস্থিতি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ইউএসটিআর জানিয়েছে, প্রস্তাবিত কাঠামোর আওতায় কিছু নির্দিষ্ট পোশাক ও বস্ত্রপণ্যের ক্ষেত্রে সীমিত পরিমাণে কম শুল্কে প্রবেশের সুযোগ রাখা হতে পারে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত নীতিমালা এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
এই নতুন প্রস্তাব এমন এক সময়ে সামনে এলো, যখন ট্রাম্প প্রশাসনের আগের আরোপিত সাময়িক শুল্ক ব্যবস্থার মেয়াদ আগামী ২৪ জুলাই শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট জরুরি ক্ষমতার আওতায় আরোপিত কয়েকটি শুল্ক ব্যবস্থা বাতিল করার পর নতুন আইনি কাঠামোর মাধ্যমে বাণিজ্য নীতি পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেয় প্রশাসন।
বিশ্লেষকদের মতে, নতুন এই শুল্ক প্রস্তাব কার্যকর হলে বাংলাদেশের মতো রপ্তানিনির্ভর অর্থনীতির দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হতে পারে, বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতে, যা যুক্তরাষ্ট্রের বাজারের ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au