ইরানি হামলায় সব ফ্লাইট বাতিল করল ইজিপ্টএয়ার
মেলবোর্ন, ৪ জুন- কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় দুই দিনের সব ফ্লাইট বাতিল করেছে মিসরের রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা…
মেলবোর্ন, ৩ জুন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি রাজধানীর বিভিন্ন থানায় দায়ের করা সাতটি মামলার মধ্যে একটিতে জামিন পেয়েছেন। একই সঙ্গে বাকি ছয়টি মামলায় কেন তাকে জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
বুধবার (৩ জুন) বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে ডা. দীপু মনির পক্ষে দায়ের করা জামিন আবেদন শুনানি শেষে এ আদেশ ঘোষণা করা হয়।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর বিভিন্ন থানায় দায়ের করা সাতটি মামলায় জামিন চেয়ে সম্প্রতি হাইকোর্টে আবেদন করেন ডা. দীপু মনি। মঙ্গলবার (২ জুন) ওই আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে আদালত আদেশের জন্য বুধবার দিন ধার্য করেন। নির্ধারিত দিনে আদালত একটি মামলায় জামিন মঞ্জুর করেন এবং অপর ছয়টি মামলার বিষয়ে রুল জারি করেন।
রুলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানতে চাওয়া হয়েছে, ওই ছয় মামলায় ডা. দীপু মনিকে কেন জামিন দেওয়া হবে না। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের জবাব দিতে হবে।
ডা. দীপু মনি বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের টানা শাসনামলে তিনি বিভিন্ন সময়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছিলেন।
ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ব্যাপক পরিবর্তন আসে। সেই প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও দলীয় নেতাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট রাতে রাজধানীর বারিধারা এলাকা থেকে ডা. দীপু মনিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর থেকে তিনি বিভিন্ন মামলায় আদালতের মুখোমুখি হন।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ডা. দীপু মনির বিরুদ্ধে হত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ, দুর্নীতি, সহিংসতায় উসকানি ও নির্দেশনা দেওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগে প্রায় ৩৮টিরও বেশি মামলা রয়েছে। এসব মামলার মধ্যে কয়েকটি এখনো তদন্তাধীন, আর কিছু মামলার বিচারিক কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
সর্বশেষ হাইকোর্টের এ আদেশের ফলে একটি মামলায় জামিন পেলেও বাকি ছয়টি মামলায় তার আইনি অবস্থান নির্ভর করবে রুলের শুনানি ও পরবর্তী আদালতের সিদ্ধান্তের ওপর। রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এ মামলাগুলোর অগ্রগতি নিয়ে আইনজীবী মহল ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au