ইরানি হামলায় সব ফ্লাইট বাতিল করল ইজিপ্টএয়ার
মেলবোর্ন, ৪ জুন- কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় দুই দিনের সব ফ্লাইট বাতিল করেছে মিসরের রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা…
মেলবোর্ন, ৩ জুন- পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন মোড় এনে তৃণমূল কংগ্রেসের (টিএমসি) বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে। বুধবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসু আনুষ্ঠানিকভাবে তার নাম ঘোষণা করেন।
ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার দাবিতে ৫৮ জন বিধায়কের স্বাক্ষরসংবলিত একটি চিঠি স্পিকারের কাছে জমা দেওয়া হয়। এই ৫৮ জনের মধ্যে ৫৭ জনই তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক। এছাড়া ছিলেন দল থেকে বহিষ্কৃত দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহা।
এর আগে বিধানসভায় জাল স্বাক্ষর সংক্রান্ত বিতর্ক এবং দলবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। তবে সেই দুই বহিষ্কৃত নেতার নেতৃত্বেই এবার দলের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিধায়ক একত্রিত হয়ে নতুন রাজনৈতিক বার্তা দিলেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তৃণমূল কংগ্রেস সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধী দলনেতা হিসেবে অসীমা পাত্রকে এবং উপদলনেতা হিসেবে নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখতে চেয়েছিলেন। পাশাপাশি ফিরহাদ হাকিমকে মুখ্য সচেতক করারও প্রস্তাব ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত অধিকাংশ বিধায়কের সমর্থন পান ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।
ঘটনার আরও তাৎপর্যপূর্ণ দিক হলো, স্পিকারের কাছে জমা দেওয়া চিঠিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এখনও দলনেত্রী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে দলের ভেতরে নেতৃত্ব ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
এদিকে এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক জল্পনা তৈরি হয়েছে। অনেকেই এটিকে দলের ভেতরে অসন্তোষের প্রকাশ এবং সাংগঠনিক সংকটের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন।
বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিধায়ক শিউলি সাহা বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই আমাদের নেত্রী। আমরা তাঁর সৈনিক ছিলাম, আছি এবং থাকব। কিন্তু দলটি যদি অন্য কারও নিয়ন্ত্রণে চলে যায়, সেটি আমরা মেনে নিতে পারি না। আমরা দলে একটি সুস্থ ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ চাই।”
ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা নির্বাচিত করার এই ঘটনা পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন সমীকরণের জন্ম দিতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ ঐক্য ও নেতৃত্বের প্রশ্নে এটি আগামী দিনে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au