নির্বাচন ঘিরে অস্থিরতায় পাকিস্তানশাসিত কাশ্মীরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, নিহত ২৪
মেলবোর্ন, ২১ জুন- পাকিস্তানশাসিত কাশ্মীরে আইনসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে টানা বিক্ষোভ, ধর্মঘট ও সংঘর্ষে অন্তত ২৪ জন নিহত হওয়ার ঘটনা পুরো অঞ্চলকে গভীর সংকটে ফেলেছে। কয়েক…
মেলবোর্ন, ২১ জুন- ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের পারভানী জেলায় একটি মন্দিরের সভা-মণ্ডপের ছাদ ধসে অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও প্রায় ২০ জন আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করছে স্থানীয় প্রশাসন। শনিবার বিকেলে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পারভানী জেলার যশওয়াড়ি গ্রামের একটি মন্দিরে সংস্কার ও নির্মাণকাজ চলছিল। এ সময় মন্দিরের সভা-মণ্ডপে উপস্থিত ভক্ত ও শ্রমিকদের ওপর হঠাৎ করেই ছাদের একটি বড় অংশ ধসে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যেই পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেক মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথমে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। পরে পুলিশ, দমকল বাহিনী, দুর্যোগ মোকাবিলা দল এবং জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান জোরদার করেন। ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আটকে পড়াদের বের করে আনার চেষ্টা চলছে।
পুলিশের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শনিবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে মন্দিরের সভা-মণ্ডপের স্ল্যাব ধসে পড়ে। এ পর্যন্ত চারজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে পারভানী জেলা সিভিল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।
স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো বহু মানুষ আটকা পড়ে থাকতে পারেন। তাই উদ্ধার অভিযান অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পরিচালনা করা হচ্ছে। জীবিত কাউকে উদ্ধার করা সম্ভব কি না, সে লক্ষ্যেই উদ্ধারকর্মীরা নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছেন।
দুর্ঘটনার পর মন্দির চত্বরে বিপুলসংখ্যক মানুষ জড়ো হন। স্বজনদের খোঁজে অনেককে উৎকণ্ঠিত অবস্থায় দেখা যায়। নিহত ও আহতদের পরিচয় শনাক্তের কাজও চলছে।
মন্দিরটি মহারাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থানগুলোর একটি বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। ছত্রপতি সম্ভাজিনগর শহর থেকে প্রায় ১৯০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই মন্দিরে নিয়মিত ভক্তদের সমাগম ঘটে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুর্ঘটনার কারণ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্মাণকাজ চলাকালে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনো ধরনের গাফিলতি ছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
উদ্ধার অভিযান শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিহত ও আহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ঘটনাটি ঘিরে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সুত্রঃ এনডিটিভি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au