ইউরোপের মাটিতে ইতিহাস গড়ে সান মারিনোকে হারালো বাংলাদেশ
মেলবোর্ন, ৬ জুন- ইউরোপের মাটিতে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। স্বাগতিক সান মারিনোকে ২-১ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো ইউরোপের কোনো দলের বিপক্ষে জয় পেয়েছে…
বয়স মাত্র চৌদ্দ পেরিয়েছে, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর বড় ছেলে রোনালদো জুনিয়র বয়সভিত্তিক দলের গন্ডিও এখনোও পেরোয়নি। অথচ বাবা মহাতারকা বলে তাকে নিয়েও জল্পনা-কল্পিনার শেষ নাই। রোনালদোর ছেলেও বাবার মতো ফুটবলকেই বেছে নিয়েছেন, তবে পর্তুগালের জার্সি গায়ে জড়ালেও রোনালদো জুনিয়রের সামনে আছে পাঁচ-পাঁচটা দেশের জার্সি গায়ে জড়ানোর সুযোগ। পর্তুগাল তো বটেই, যুক্তরাষ্ট্র, কেপ ভার্দে, ইংল্যান্ড এমনকি স্পেনের মতো দলেও চাইলেই তিনি খেলতে পারবেন। কিন্তু কীভাবে?
সম্প্রতি ক্রীড়াভিত্তিক স্প্যানিশ সংবাদপত্র মার্কা রোনালদো জুনিয়রকে নিয়ে একটা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। যেখানে বলা হয়েছে জন্মস্থান, পৈত্রিক নিবাস এবং বাবার কর্মসূত্রে মোট পাঁচ দেশের জাতীয় দলে তার খেলা সম্ভব।
২০১০ সালে নরোনালদোর বড় ছেলে ক্যালিয়াফোর্নিয়ার সান দিয়েগোতে জন্মগ্রহণ করে। ফলে জন্মসূত্রে যুক্তরাষ্ট্রের জার্সি গায়ে জড়ানো সম্ভব ১৪ বছর বয়সী এই কিশোরের। তবে বাবা রোনালদো তাতে রাজি হবেন, এমন সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।
ক্যারিয়ারের শুরুর সময়ে ২০০৩ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো যখন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে ছিলেন রোনালদো জুনিয়রের তখনো জন্ম হয়নি। দ্বিতীয় দফায় ২০২১ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ম্যানইউয়ের হয়েই খেলেছেন সিআরসেভেন। পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ইংল্যান্ডে কাটানোয় তাঁর ছেলেরও হ্যারিকেইন-জুড বেলিংহামদের দলে খেলার সুযোগ রয়েছে। তবে কিছু আইনি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।
২০০৯ থেকে ১৮ সাল পর্যন্ত রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে খেলছেন রোনালদো, বাবার কর্মসূত্রে অন্তত আট বছর স্পেনে কাটিয়েছেন রোনালদো জুনিয়র। নিয়ম অনুযায়ী, ১০ বছরের নিচের বয়সী কেউ যদি অন্তত ৩ বছর স্পেনে থাকে, তবে তিনি নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
রোনালদো জুনিয়রের মায়ের পরিচয় কখনোই প্রকাশ করেননি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। তবে তার নানী বাড়ি আফ্রিকান দেশ কেপ ভার্দেতে। সে দলের হয়েও খেলতে পারেন তিনি। যদিও সম্ভাবনা শুন্যের কোটায়।
বাবা পর্তুগালের হয়ে খেলছেন, স্বাভবিকভাবেই পর্তুগালের জার্সিতেই ছেলেকে দেখার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। যদিও জুনিয়র রোনালদোর হাতে এখনও অনেক সময় রয়েছে, বাবার লিগ্যাসি কতটা বয়ে নিয়ে যেতে পারেন সেটাই দেখার অপেক্ষা।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au