ধর্মেন্দ্রর পদত্যাগের পর কে হচ্ছেন ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রী?
মেলবোর্ন, ২৬ জুলাই: প্রশ্নপত্র ফাঁস রুখতে নরেন্দ্র মোদী সরকার যে কড়া অবস্থান নিতে চলেছে, তা শুক্রবারই স্পষ্ট হয়েছিল। মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত খসড়া বিলের…
মেলবোর্ন, ২৫ জুলাই: ভারতের নিট (ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি কাম এন্ট্রান্স টেস্ট) প্রশ্নফাঁসকে কেন্দ্র করে চলমান আন্দোলনের সমাধান খুঁজতে আজ শনিবার কেন্দ্রীয় সরকার এবং ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) তৃতীয় দফার বৈঠকে বসছে। কয়েক দিন ধরে চলা আলোচনা ও সমঝোতার প্রচেষ্টার ধারাবাহিকতায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই বৈঠককে আন্দোলনের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, আন্দোলনকারীদের উত্থাপিত তিনটি প্রধান দাবির মধ্যে দুটি মেনে নিতে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তবে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এ বিষয়ে সরকার আরও সময় চেয়েছে বলে জানিয়েছে সিজেপি।
সরকারের আনুষ্ঠানিক অবস্থান জানার পর আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে দলটি। আন্দোলনকারীরা স্পষ্ট করে বলেছেন, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ এবং শিক্ষা ব্যবস্থায় জবাবদিহি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
আলোচনার পাশাপাশি রাজধানী দিল্লিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। দিল্লি মেট্রো রেল করপোরেশন (ডিএমআরসি) কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধ রেখেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দিল্লি পুলিশের সব সদস্যের নিয়মিত ছুটি বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং কিছু স্থানে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও মদের দোকান নির্ধারিত সময়ের আগেই বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গত ৪৮ ঘণ্টায় আন্দোলন ঘিরে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছে। সরকারের আশ্বাস পাওয়ার পর সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক তার টানা ২৬ দিনের অনশন প্রত্যাহার করেছেন। তবে তিনি আন্দোলনের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন।
এদিকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা সংঘবদ্ধ প্রশ্নফাঁস চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে নতুন একটি খসড়া আইন অনুমোদন করেছে। প্রস্তাবিত আইনে দোষীদের সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রশ্নফাঁসসংক্রান্ত মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন। সরকারের এসব উদ্যোগের পরও আন্দোলনকারীরা বলছেন, কেবল নতুন আইন নয়, শিক্ষা ব্যবস্থায় কাঠামোগত সংস্কার এবং দায়ীদের জবাবদিহিই তাদের প্রধান দাবি। তাই আজকের বৈঠকের ফলাফলের দিকেই এখন নজর পুরো ভারতের।
সুত্রঃ ইন্ডিয়া টুডে
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au