ইলন মাস্কের কার্সরের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করছে ওপেনএআই
ইলন মাস্কের মালিকানাধীন স্পেসএক্সের অধীনে থাকা এআই-সহায়ক কোডিং প্ল্যাটফর্ম কার্সরের সঙ্গে চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওপেনএআই। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, আগামী ১২ নভেম্বর ২০২৬ থেকে কার্সরকে এআই…
রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাসের বাবা ও ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। শনিবার বিকেলে তাঁদের ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়।
রংপুর মহানগর পুলিশের উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সিদ্ধার্থ দাসের বাবা বিনয় দাস ও বড় ভাই পার্থ দাসকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হবে।
এর আগে মাছুয়াপাড়ার নিজ বাসা থেকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী এবং ছেলে প্রীয়ম চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, চারজনকেই হত্যা করা হয়েছে।
ঘটনার পর নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে রংপুর মহানগর কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন।
মামলার পরদিন ভোরে একই এলাকা থেকে মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাস নামে দুই তরুণকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে ওই রাতেই তাঁদের আদালতে হাজির করা হয়। পুলিশ জানায়, আদালতে তাঁরা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
এরপর মঙ্গলবার মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থের বন্ধু সীমান্ত আদালতে সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন। পুলিশের দাবি, ঘটনার রাতে মুগ্ধ, সিদ্ধার্থ ও সীমান্ত একসঙ্গে ইয়াবা সেবন করেছিলেন।
তবে হত্যাকাণ্ডের তদন্ত নিয়ে নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দেয় সিদ্ধার্থ দাসের পরিবারের অভিযোগ। বুধবার রাতে সিদ্ধার্থের বড় ভাই পার্থ দাস অভিযোগ করেন, হত্যাকাণ্ডের পর গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদ পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলা হয়েছে। তাঁর দাবি, এতে গুরুত্বপূর্ণ আলামত নষ্ট হয়ে থাকতে পারে।
তবে পুলিশের পক্ষ থেকে এ অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য, আলামত নষ্ট করার উদ্দেশ্যে ছাদ ধোয়া হয়নি। ভুল করে মোটরের সুইচ চালু হয়ে যাওয়ায় পানির ট্যাংক থেকে পানি উপচে পড়ে ছাদ ভিজে যায়।
এদিকে, ছাদে পানি পড়ার বিষয়টি তদন্তের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে কি না, পানি পড়ার সময় ঘটনাস্থলে কারা ছিলেন এবং এতে কোনো গুরুত্বপূর্ণ আলামত নষ্ট হয়েছে কি না, সে বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
চার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এরই মধ্যে পুলিশের তদন্তের পাশাপাশি বিভিন্ন মহল থেকে আলামত সংরক্ষণ ও তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে আসামিদের স্বীকারোক্তির পাশাপাশি ঘটনাস্থলের ফরেনসিক আলামত, মুঠোফোনের তথ্য, সিসিটিভি ফুটেজসহ অন্যান্য প্রমাণের সঙ্গে পুলিশের তদন্তের তথ্য মিলিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au