আলভারেজকে রেখেই মৌসুম পার করতে হবে অ্যাতলেতিকোকে
বার্সেলোনায় যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশের পর হুলিয়ান আলভারেজের সঙ্গে অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের সম্পর্ক এখন বেশ অস্বস্তিকর। তবে স্প্যানিশ ক্লাবটি তাকে বিক্রি করতে রাজি নয়। ট্রান্সফার উইন্ডো বন্ধ…
সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে গঠিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হলে বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। তিনি বলেছেন, ভবিষ্যতে এই জোটের পরিধি বাড়লে এটি বৈশ্বিক মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য আত্মরক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করতে পারে।
গত বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
খলিলুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে। তবে বাংলাদেশকে এই জোটে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব বা আমন্ত্রণ আসেনি। বর্তমান সদস্য দেশগুলো বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্ত করার আগ্রহ প্রকাশ করলে সরকার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।
তিনি বলেন, চুক্তিতে যোগ দেওয়ার বিষয়টি এখনো আলোচনার পর্যায়ে আসেনি। তাই এর সম্ভাব্য সুবিধা ও অসুবিধা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা সময়ের আগে হয়ে যাবে। তবে ভবিষ্যতে সদস্য দেশগুলোর পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানানো হলে সরকার তা ইতিবাচকভাবেই বিবেচনা করবে।
গত ৭ আগস্ট কার্যকর হওয়া এই প্রতিরক্ষা চুক্তির বর্তমান সদস্য হলো সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান। চুক্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শর্ত অনুযায়ী, কোনো একটি সদস্য দেশের ওপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটিকে জোটের সব সদস্য দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এর মাধ্যমে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতার একটি যৌথ কাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে।
চুক্তিটির ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে খলিলুর রহমান বলেন, জোটটি আরও বড় হলে এটি বিশ্বের মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য আত্মরক্ষার একটি ব্যবস্থা হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, মুসলিম দেশগুলোর পারস্পরিক নিরাপত্তা ও সহযোগিতার বিষয়টি মূলত তাদের নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তাই এ নিয়ে অন্যদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার কোনো আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পায়নি। তবে সরকারের এই অবস্থানের ফলে ভবিষ্যতে আমন্ত্রণ এলে বিষয়টি দেশের পররাষ্ট্রনীতি, আঞ্চলিক কূটনীতি এবং জাতীয় নিরাপত্তার দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় হয়ে উঠতে পারে।
বিশেষ করে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মতো গুরুত্বপূর্ণ মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে একটি যৌথ প্রতিরক্ষা কাঠামোয় বাংলাদেশের সম্ভাব্য অংশগ্রহণ দক্ষিণ এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের কূটনৈতিক সমীকরণেও নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au