শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সময় সঙ্গে থাকতে পারেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দেশে ফেরার সময় তাঁর সঙ্গে একদল আন্তর্জাতিক স্বাধীন পর্যবেক্ষককে রাখার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বের…
কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা কেন্দ্রীয় মহাশ্মশানের জায়গা দিন দিন সংকুচিত হয়ে আসছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শ্মশানসংলগ্ন এলাকায় বসবাসকারীদের কেউ কেউ নিজেদের বসতি সম্প্রসারণের জন্য শ্মশানের জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করছেন বলে অভিযোগ স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের। এতে একদিকে যেমন শ্মশানের জায়গা কমে যাচ্ছে, অন্যদিকে ধর্মীয়ভাবে পবিত্র এই স্থানটির পরিবেশ ও পবিত্রতা নষ্ট হচ্ছে বলেও অভিযোগ তাঁদের।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সম্প্রতি ঝিলংজা কেন্দ্রীয় মহাশ্মশানের জায়গা দখল করে সেখানে বসতি সম্প্রসারণের কাজ শুরু করেছেন ডেজি সিকদার নামে এক নারী। তিনি রামু পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে কর্মরত বলে জানা গেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, শ্মশানের জায়গায় স্থাপনা নির্মাণের কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে।
এভাবে শ্মশানের জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণের ঘটনায় স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তাঁদের আশঙ্কা, এভাবে একের পর এক জায়গা দখল হতে থাকলে ভবিষ্যতে মৃতদেহ সৎকারের জন্য শ্মশানের পর্যাপ্ত জায়গা থাকবে না। পাশাপাশি শ্মশানের স্বাভাবিক পরিবেশও নষ্ট হবে।
ঝিলংজা কেন্দ্রীয় মহাশ্মশান পরিচালনা কমিটির সভাপতি শিমুল মল্লিক বলেন, এর আগেও ডেজি সিকদার শ্মশানের জায়গা দখল করে সেখানে স্থাপনা নির্মাণ করেছিলেন। পরে কিছুদিন নির্মাণকাজ বন্ধ ছিল। সম্প্রতি তিনি আবারও ওই জায়গায় স্থাপনা নির্মাণের কাজ শুরু করেছেন।
তিনি আরও বলেন, শ্মশানের জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণের বিষয়টি দ্রুত বন্ধ করা প্রয়োজন। শ্মশানের জায়গা ও পবিত্রতা রক্ষায় প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।
স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা জানান, ঝিলংজা কেন্দ্রীয় মহাশ্মশান তাঁদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ধর্মীয় স্থান। এখানে দীর্ঘদিন ধরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মৃতদেহ সৎকার হয়ে আসছে। তাই শ্মশানের জায়গা কোনোভাবেই দখল বা ব্যক্তিগত বসতি সম্প্রসারণে ব্যবহার করা উচিত নয়। তাঁরা দ্রুত শ্মশানের সীমানা নির্ধারণ, দখলের অভিযোগ তদন্ত এবং সরকারি জায়গা হলে তা উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার বলেন, কেউ শ্মশানের জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করে থাকলে এবং বিষয়টি প্রমাণিত হলে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রশাসনের এমন বক্তব্যের পর শ্মশান পরিচালনা কমিটি ও স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা দ্রুত সরেজমিনে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রত্যাশা করছেন। তাঁদের দাবি, ধর্মীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই শ্মশানের জায়গা দখলমুক্ত রেখে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণ করা প্রয়োজন।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au