বন্ধের দুই দশক পর জেএমবি নেতার মাদ্রাসা আবার সক্রিয় করল কারা?
মেলবোর্ন, ১০ জুন- বাংলাদেশের নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামাআ’তুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি) এর প্রতিষ্ঠাতা শায়খ আব্দুর রহমানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি মাদ্রাসা প্রায় দুই দশক পর আবার…
সারাংশ:
মেলবোর্ন, ১৬ মে—তিন বছর পর প্রথমবারের মতো রাশিয়া ও ইউক্রেনের প্রতিনিধিরা মুখোমুখি বৈঠকে বসেছে। শান্তি আলোচনাটি মঙ্গলবার তুরস্কের ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের উদ্বোধনকালে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেন, যত দ্রুত সম্ভব যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়া এখন সবচেয়ে জরুরি, কারণ প্রতিদিন প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে।
তিনি আরও বলেন, উভয় পক্ষের উচিত এই আলোচনার সুযোগকে কাজে লাগানো। যদিও রাশিয়ান ও ইউক্রেনীয় প্রতিনিধি দলের মধ্যে কোনও করমর্দন হয়নি, এবং উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির আশা খুবই কম—তবুও এটিকে একটি অগ্রগতি হিসেবেই দেখা হচ্ছে, অন্তত প্রতীকী দিক থেকে।
বৈঠকের আগে ইউক্রেন জানায়, তাদের প্রধান অগ্রাধিকার হলো একটি স্থায়ী ও নিঃশর্ত যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করা। প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, তার দলের ম্যান্ডেট হচ্ছে অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধ করা। অন্যদিকে, রাশিয়া আগের দিন বলেছে, তাদের লক্ষ্য দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং “এই সংকটের মূল কারণসমূহ” দূর করা।
ক্রেমলিনের ভাষায় এর অর্থ—তারা তাত্ক্ষণিক যুদ্ধবিরতির চেয়ে বেশি আগ্রহী যুদ্ধের ‘মূল কারণ’ নিয়ে আলোচনা করতে, যার মধ্যে অন্যতম হলো ইউক্রেনের সার্বভৌম অস্তিত্বই।
অবশ্য রুশ প্রতিনিধিদলের প্রধান গতকাল বলেন, তারা ‘সমঝোতা নিয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত’—তবে এই ‘সমঝোতা’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে, তা পরিষ্কার নয়। এটিকে কিছুটা অগ্রগতি এবং রাশিয়ার পক্ষ থেকে নমনীয়তার ইঙ্গিত হিসেবে দেখা যেতে পারে। তবে তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি সমঝোতার কথা বলেছেন।
রাশিয়ার বাকি সদস্যরা এখনও তাদের আগের দাবিতে অনড় রয়েছেন, যার মধ্যে আছে—ইউক্রেন যেন কখনও নেটোতে যোগ না দেয় এবং রাশিয়া অন্তত পাঁচটি ইউক্রেনীয় অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ পায়।
এই দাবিগুলো জেলেনস্কির জন্য সম্পূর্ণভাবে অগ্রহণযোগ্য। ফলে শান্তির পথ এখনো কঠিন এবং অনিশ্চিত থাকছে।
সূত্র: বিবিসি নিউজ প্রতিবেদন।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au