বিশ্বকাপ ফাইনালে লাল কার্ডের পর মুখ খুললেন এনজো ফার্নান্দেজ
মেলবোর্ন, ২৩ জুলাই: স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে বিশ্বকাপ শিরোপা হারানোর পর প্রথমবারের মতো মুখ খুলেছেন আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ। ফাইনালে লাল কার্ড দেখে মাঠ…
মেলবোর্ন ৬ জুন
পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ দলের সঙ্গে তলানির দলের ম্যাচ। বিশ্বকাপ বাছাইয়ের পয়েন্ট টেবিল যেমন বলছে, মাঠের খেলায় ততটা পার্থক্য দেখা গেল না। তবে হুলিয়ান আলভারেসের নৈপুণ্যে আসল কাজটা করল আর্জেন্টিনা। চিলির জালে বল পাঠিয়ে লিওনেল স্কালোনির দল থাকল জয়রথেই।
চিলির মাঠে শুক্রবার দুপুরে শুরু হওয়া ম্যাচে ১-০ গোলে জিতেছে আর্জেন্টিনা। প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ২-১ গোলে হারার পর বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের এটি টানা চতুর্থ জয়।
এই হারে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে খেলার ক্ষীণ আশাটুকুও শেষ হয়ে গেল চিলির। আর্জেন্টিনা নিশ্চিত করল শীর্ষে থেকে শিরোপা ধরে রাখার অভিযান শুরু করা। ৬৬ শতাংশ সময় বল দখলে রেখে গোলের জন্য ১০টি শট নেয় আর্জেন্টিনা, এর চারটি ছিল লক্ষ্যে। অন্য দিকে দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলা চিলি গোলের জন্য সাত শট নিয়ে তিনটি রাখতে পারে লক্ষ্যে।
ঘরের মাঠে প্রথম ভালো সুযোগ পায় চিলি। তৃতীয় মিনিটে আলেক্সিস সানচেসের গতিময় শট ঝাঁপিয়ে ঠেকান আর্জেন্টিনা গোলরক্ষক এমিলায়ানো মার্তিনেস।
ষোড়শ মিনিটে নিজেদের প্রথম ভালো সুযোগে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। থিয়াগো আলমাদার রক্ষণচেরা পাস ধরে আগুয়ান গোলরক্ষকের মাথার উপর দিয়ে অনায়াসে জাল খুঁজে নেন হুলিয়ান আলভারেস।
সাত মিনিট পর হেড লক্ষ্যে রাখতে পারেননি আর্তুরো ভিদাল।
৩৪ মিনিটে ক্রিস্তিয়ানো রোমেরোর কাছ থেকে বল পেয়ে বাইরে মেরে ব্যবধান দ্বিগুণ করার দারুণ সুযোগ হাতছাড়া করেন জুলিয়ানো সিমেওনে।
নয় মিনিট পর নিকো পাসের শট ব্লকড হয় চিলির রক্ষণে। পরের মিনিটে আলমাদার শট ঝাঁপিয়ে ফেরান স্বাগতিক গোলরক্ষক ব্রায়ান কর্তেস।
পিছিয়ে থেকে বিরতিতে যাওয়া চিলি দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে আক্রমণাত্মক ফুটবলে আর্জেন্টিনাকে চেপে ধরে। তবে ভাঙতে পারেনি গোলরক্ষক মার্তিনেসের প্রতিরোধ।
৫৭ মিনিটে পাসের জায়গায় বদলি নামেন লিওনেল মেসি। চোটের জন্য গত মার্চে উরুগুয়ে ও ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় পাওয়া দুটি ম্যাচে ছিলেন না আর্জেন্টিনা অধিনায়ক।
৬০ মিনিটে ডি বক্সের বাইরে থেকে লুকাস সেপেদার গতিময় শট ঝাঁপিয়ে ব্যর্থ করে দেন মার্তিনেস। তিন মিনিট পর হাভিয়ের আলতামিরানোর শটও ঠেকিয়ে দেন তিনি।
৬৪ মিসিটে কাপেদার জোরালে শটে কোনোমতে মাথা ছুঁয়ে দেন রোমেরো। ক্রসবারে বল ফেরে মাঠে। হাতছাড়া হয় চিলির দারুণ সুযোগ। ১০ মিনিট পর খুব ভালো জায়গা থেকে বাইরে মেরে আরেকটা চমৎকার সুযোগ নষ্ট করেন সেপেদা।
৭৮ মিনিটে মেসির ফ্রি কিকে কোনো বিপদ ঘটতে দেননি চিলি গোলরক্ষক। পাঁচ মিনিট পর অধিনায়কের রক্ষণচেরা পাসে ব্যবধান বাড়ানোর সুবর্ণ সুযোগ পান সিমেওনে। কর্তেসকে কাটিয়ে ফেললেও অবিশ্বাস্যভাবে শূন্য জালে বল পাঠাতে পারেননি এই ফরোয়ার্ড।
বাকি সময়ে জাল অক্ষত রেখে তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে আর্জেন্টিনা। আগেই বিশ্বকাপ নিশ্চিত হয়ে যাওয়ায় এবং কার্ডের খাড়া ও চোটে বেশ কয়েকজন অনুপস্থিত থাকায় অনিমিতদের সুযোগ দেন স্কালোনি। তাদের নিয়েও জয়রথেই থাকল দল।
১৫ ম্যাচে ৩৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আর্জেন্টিনা। ২৪ পয়েন্ট করে নিয়ে পরের দুটি স্থানে আছে যথাক্রমে ইকুয়েডর ও প্যারাগুয়ে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au