বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ নয়,শান্তির পক্ষে ‘সহজিয়া’
মেলবোর্ন, ২৫ এপ্রিল- বিশ্বজুড়ে চলমান সংঘাত ও যুদ্ধের বিরুদ্ধে শান্তির আহ্বান জানিয়ে রাজধানীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘নো ওয়ার, নো এম্পায়ার’ শীর্ষক কনসার্ট। শুক্রবার…
মেলবোর্ন, ১৫ জুলাই-
অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নের আভালন বিমানবন্দরে জেটস্টার বিমানে জোরপূর্বক প্রবেশ করে হাইজ্যাকের চেষ্টা চালিয়েছিল মাত্র ১৭ বছর বয়সী এক কিশোর। সোমবার আদালতে তোলা হলে জানা যায়, কিশোরটির মস্তিষ্কে কোনো স্নায়ুজনিত বা মানসিক সমস্যা আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে ব্রেন স্ক্যান করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
চলতি বছরের মার্চে এ ঘটনার সময় ওই কিশোর একটি উজ্জ্বল রঙের হাইলাইটার জ্যাকেট পরে বিমানবন্দরের বেষ্টনী টপকে ভেতরে ঢোকে। এরপর সে জেটস্টারের একটি বিমানে উঠে দাবি করে, তার কাছে বন্দুক রয়েছে এবং সে বিমানটি হাইজ্যাক করবে। ঘটনাস্থলে থাকা যাত্রীরা তাৎক্ষণিকভাবে সাহসিকতার সঙ্গে তাকে আটক করে এবং বড় ধরনের বিপদ এড়ানো যায়।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, এই কিশোরের বিরুদ্ধে বিমান চলাচলে বিপদ সৃষ্টি, অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র বহন এবং সহিংসতার হুমকি দেওয়ার মতো অভিযোগসহ মোট ১০টির বেশি অভিযোগ আনা হয়েছে। যদিও এর মধ্যে চারটি অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ প্রত্যাহার করা হয়েছে।
কিশোরের আইনজীবী আদালতে জানান, তার মক্কেলের মস্তিষ্কে জন্মগত বা মানসিক কোনো জটিলতা রয়েছে কিনা, সেটি স্পষ্টভাবে নির্ণয় করতে সম্প্রতি ব্রেন স্ক্যান করা হয়েছে এবং আরও কিছু স্নায়ুবিজ্ঞানভিত্তিক পরীক্ষা করা হবে। আগামী অক্টোবর পর্যন্ত এই পরীক্ষার রিপোর্ট আদালতে উপস্থাপন করা হবে, যা বিচারপ্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এই ঘটনার পর আভালন বিমানবন্দরে কয়েক ঘণ্টা ফ্লাইট চলাচল বন্ধ থাকে এবং নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশ (AFP) ও ভিক্টোরিয়া পুলিশ একসাথে যৌথ তদন্ত শুরু করেছে। আদালত এ মামলার সঙ্গে জড়িত কিছু নথি ও আলামত গোপন রাখার নির্দেশ দিয়েছে, কারণ নিরাপত্তা ও সন্ত্রাসবিরোধী তদন্ত এখনো চলমান।
তদন্তের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে, এই কিশোরের সঙ্গে কোনো উগ্রপন্থি গোষ্ঠীর যোগাযোগ ছিল কিনা, বা সে কাদের দ্বারা প্ররোচিত হয়েছিল। তবে এখনও পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু জানানো হয়নি।
এ ঘটনায় কারও শারীরিকভাবে বড় ধরনের ক্ষতি না হলেও, এটি অস্ট্রেলিয়ার ছোট বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কর্তৃপক্ষ ভবিষ্যতে এমন ঘটনা ঠেকাতে আরও কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার কথা ভাবছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au