হাসানের ৭ উইকেটে ওরচেস্টারশায়ারকে হারাল কেন্ট
ইংলিশ কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে কেন্টকে জয় এনে দিয়েছেন বাংলাদেশের ডানহাতি পেসার হাসান মাহমুদ। ওরচেস্টারশায়ারের বিপক্ষে ম্যাচে দুই ইনিংস মিলিয়ে ৭ উইকেট…
মেলবোর্ন, ৩০ জুলাই- রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার বেতগাড়ী ইউনিয়নে হিন্দু ধর্মাবলম্বী সংখ্যালঘুদের বাড়িঘরে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। আজ মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংস্থাটি বলেছে, এ ধরনের সহিংসতা কোনো সভ্য সমাজে গ্রহণযোগ্য নয় এবং এটি সংবিধানপ্রদত্ত সমান অধিকারের পরিপন্থী।
আসক জানিয়েছে, একটি কিশোরের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধর্ম অবমাননার অভিযোগকে কেন্দ্র করে পুরো একটি সম্প্রদায়ের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। যদিও ওই কিশোরকে পুলিশ আটক করে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা দিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে, তবুও আইন চলমান থাকা অবস্থায় এলাকায় মাইক ব্যবহার করে উসকানিমূলক প্রচার চালানো হয়। একদল উচ্ছৃঙ্খল লোক সংগঠিত হয়ে সংখ্যালঘুদের বাড়িঘরে হামলা চালায়। এতে বহু ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাটের শিকার হয় এবং আক্রান্ত এলাকায় সংখ্যালঘুদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেনাবাহিনী ও পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে দাবি করা হলেও এই হামলার দায় এড়ানোর সুযোগ রাষ্ট্রের নেই। ধর্মীয় অনুভূতির দোহাই দিয়ে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ধারাবাহিকতা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে এবং দোষীরা প্রায়ই থেকে যাচ্ছে ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। এই দায়মুক্তির সংস্কৃতি বিচারহীনতার এক ভয়াবহ উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা সংবিধানের মৌলিক অধিকার ও রাষ্ট্রের মূলনীতির পরিপন্থী।
আসকের মতে, সংবিধানের ২৭, ২৮ ও ৪১ অনুচ্ছেদ প্রত্যেক নাগরিককে ধর্ম, বর্ণ, জাতি বা সম্প্রদায়ের ভিত্তিতে বৈষম্যহীনভাবে সমান অধিকার, ধর্ম চর্চার স্বাধীনতা ও সুরক্ষার নিশ্চয়তা দিয়েছে। অথচ এই অধিকারগুলো বারবার লঙ্ঘিত হচ্ছে, যা অত্যন্ত লজ্জাজনক।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে আসক তিনটি দাবি জানিয়েছে:
১. হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ।
২. ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করে পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা।
৩. ধর্মীয় উসকানি ও সাম্প্রদায়িক সহিংসতা প্রতিরোধে রাষ্ট্রকে আরও বলিষ্ঠ ও কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে।
বিবৃতিতে সংস্থাটি বলেছে, যারা অপরাধ করেছে এবং যারা দায়িত্বে থেকেও হামলা প্রতিরোধে ব্যর্থ হয়েছে—উভয়ের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাই মানবাধিকারের প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা প্রদর্শনের একমাত্র পথ।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au