ইসলাম গ্রহণের খবর গুজব, যা বললেন রবার্তো কার্লোস
মেলবোর্ন, ২০ আগষ্ট: ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কিংবদন্তি ও রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক তারকা রবার্তো কার্লোস ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন, কয়েকদিন ধরে এমন খবর ছড়িয়ে পড়েছিল দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমে।…
মেলবোর্ন, ৭ আগষ্ট- রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার কারণে ভারতের ওপর আরও অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (৬ আগস্ট) এক নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করে তিনি এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেন। এই নতুন শুল্ক যুক্ত হওয়ার ফলে এখন ভারতীয় পণ্যের ওপর মোট মার্কিন শুল্ক বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ শতাংশে।
ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, এই নতুন শুল্ক আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে কার্যকর হবে। এর আগেই, গত বৃহস্পতিবার থেকে ভারতীয় পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হয়েছিল। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এর সঙ্গে আরও ২৫ শতাংশ যোগ হবে। তবে কিছু গুরুত্বপূর্ণ খাত যেমন ওষুধ এবং নির্দিষ্ট স্টিল ও অ্যালুমিনিয়াম পণ্য এই অতিরিক্ত শুল্কের আওতার বাইরে থাকবে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলেছে, এই সিদ্ধান্তের ফলে ভারতের ওপর আরোপিত মোট শুল্ক এখন চীনের তুলনায় ২০ শতাংশ এবং পাকিস্তানের তুলনায় ২১ শতাংশ বেশি।
ট্রাম্প তার নির্বাহী আদেশে লিখেছেন, “আমি দেখতে পাচ্ছি ভারত সরকার সরাসরি বা পরোক্ষভাবে রুশ ফেডারেশন থেকে তেল আমদানি করছে। এই প্রেক্ষাপটে, আমি মনে করি ভারত থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর অ্যাড ভ্যালোরেম (মূল্যনির্ভর) শুল্ক আরোপ করা প্রয়োজন।”
এই নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষরের কয়েক ঘণ্টা আগেই এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “ভারত ভালো বাণিজ্যিক অংশীদার নয়। তারা আমাদের সঙ্গে অনেক ব্যবসা করে, কিন্তু আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। রাশিয়া থেকে তেল কেনায় আমি আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অতিরিক্ত শুল্ক বাড়িয়ে দেব।”
গত ৩০ জুলাই ট্রাম্প হুমকি দিয়েছিলেন, রাশিয়া থেকে তেল ও সামরিক সরঞ্জাম কেনা অব্যাহত রাখলে ভারতকে শুধু ২৫ শতাংশ নয়, অতিরিক্ত জরিমানা শুল্কও গুণতে হবে। সেই হুমকি বাস্তবে রূপ পেল বুধবার।
মার্কিন প্রশাসনের দাবি, ভারতের বাজারে নানা ধরনের কঠোর ও জটিল নন-টারিফ (অর্থনৈতিক নয় এমন) বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসার জন্য ক্ষতিকর। এ প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, “ভারত আমাদের বন্ধু, তবে এত বছরে আমরা তাদের সঙ্গে যথেষ্ট পরিমাণে বাণিজ্য করতে পারিনি। কারণ, তাদের শুল্ক বিশ্বের মধ্যে অন্যতম সর্বোচ্চ, এবং তারা সবচেয়ে কঠিন ও বিরক্তিকর নন-টারিফ বাধা তৈরি করেছে।”
এই সমালোচনার জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, “অনেক পশ্চিমা দেশ এখনও রাশিয়া থেকে পণ্য আমদানি করছে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রও রাশিয়ার পণ্য আমদানি করে।”
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন উত্তেজনার জন্ম দিতে পারে।
সুত্রঃ এনডিটিভি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au