কোপানোর পর গুলি, ঘটনাস্থলেই যুবদল কর্মীর মৃত্যু
চট্টগ্রামের রাউজানে প্রকাশ্যে মুহাম্মদ করিম নামে এক যুবদল কর্মীকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করেছে একদল সন্ত্রাসী। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, ৪ থেকে ৫টি মোটরসাইকেলে করে আসা…
মেলবোর্ন, ৬ সেপ্টেম্বর- উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর শিক্ষার্থীদের জীবনে শুরু হয় নতুন এক অধ্যায়। প্রতিটি শিক্ষার্থীর স্বপ্ন থাকে নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার। কিন্তু প্রতি বছর লাখ লাখ শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিলেও সাফল্যের মুখ দেখেন অল্প কয়েকজন। প্রতিযোগিতা এতটাই কঠিন যে শুরু থেকেই সঠিক প্রস্তুতি না নিলে পেছনে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।
ভর্তি পরীক্ষার প্রতিযোগিতা: কেন এত কঠিন?
বাংলাদেশে সরকারি ও বেসরকারি মিলে রয়েছে দেড় শতাধিক বিশ্ববিদ্যালয়। এর মধ্যে শিক্ষার্থীদের মূল লক্ষ্য থাকে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি হওয়া। বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলো (বুয়েট, কুয়েট, রুয়েট, চুয়েট) এবং মেডিকেল কলেজগুলোর চাহিদা সবচেয়ে বেশি।
প্রতিবছর প্রায় ১৩-১৪ লাখ শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষা দেন। তাঁদের বড় একটি অংশ ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেন। কিন্তু আসনসংখ্যা সীমিত। যেমন—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন পড়ে কয়েক লাখ, অথচ সুযোগ পান মাত্র কয়েক হাজার শিক্ষার্থী। এ বাস্তবতাই প্রমাণ করে ভর্তি পরীক্ষার প্রতিযোগিতা কতটা কঠিন।
প্রস্তুতির প্রথম ধাপ হলো লক্ষ্য নির্ধারণ। কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন বিষয়ে পড়তে চান, তা পরিষ্কারভাবে ঠিক করা দরকার। লক্ষ্য স্পষ্ট না হলে প্রস্তুতিও বিক্ষিপ্ত হয়। যেমন—প্রকৌশলে ভর্তির জন্য গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নে দক্ষ হতে হবে। আর মেডিকেলে যেতে চাইলে জীববিজ্ঞানের প্রতি বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।
এছাড়া ভর্তি পরীক্ষার নিয়ম, নম্বর বণ্টন ও প্রশ্নের ধরন জেনে রাখা জরুরি। শুধু কোচিং নির্ভর না হয়ে অনলাইন লেকচার, প্রশ্নব্যাংক, মোবাইল অ্যাপ—সবকিছু কাজে লাগাতে হবে।
সময় ব্যবস্থাপনা: সাফল্যের মূল চাবিকাঠি
ভর্তি প্রস্তুতিতে সময় ব্যবস্থাপনা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই পড়ার তালিকা দীর্ঘ করেন, কিন্তু সময়ের অভাবে শেষ করতে পারেন না। তাই রুটিন তৈরি করা অপরিহার্য। যেমন—
এভাবে ভাগ করে পড়লে পড়াশোনা সহজ হয় এবং চাপও কমে।
ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন সাধারণত এমসিকিউ ধাঁচের হয়। তাই বোঝার ওপর জোর দেওয়া জরুরি। কার্যকর কিছু কৌশল হলো—
বিভাগভিত্তিক প্রস্তুতি
পরীক্ষার পড়ার পাশাপাশি মানসিক দৃঢ়তা অপরিহার্য। প্রতিদিন কয়েক মিনিট ধ্যান বা মেডিটেশন মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো আত্মবিশ্বাস ধরে রাখা। ভর্তি পরীক্ষা জীবনের শেষ লক্ষ্য নয়, বরং একটি ধাপ। প্রথমবার ব্যর্থ হলেও পরেরবার সফল হওয়ার অনেক উদাহরণ আছে।
ডিজিটাল যুগে ভর্তি প্রস্তুতির জন্য রয়েছে নানা মাধ্যম—
পড়াশোনার পরিবেশ
সুস্থ শরীর ছাড়া ভালো প্রস্তুতি সম্ভব নয়। তাই—
যেসব ভুল এড়িয়ে চলতে হবে
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া শুধু একটি সাফল্য নয়; বরং এটি নতুন জীবনের সূচনা। তাই ভর্তি হওয়ার পরও লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে—কোন বিষয়ে দক্ষ হবেন, কোন ক্যারিয়ার গড়বেন। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে পড়াশোনার পাশাপাশি দক্ষতা, ভাষা শিক্ষা, নেতৃত্ব ও যোগাযোগের ক্ষমতা অর্জনের দিকেও নজর দেওয়া জরুরি।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au