ভারতের পর্যটক ভিসা চালু হতেই বাংলাদেশজুড়ে আবেদনকারীদের ঢল কেন
মেলবোর্ন, ২ জুলাই- দীর্ঘ প্রায় দুই বছর পর বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভারত পর্যটক ভিসা চালু করার পর দেশজুড়ে ভারতীয় ভিসা আবেদনকেন্দ্রগুলোতে আবেদনকারীদের উপচে পড়া ভিড়…
মেলবোর্ন, ৯ সেপ্টেম্বর- স্বল্পমেয়াদি তহবিল সংগ্রহের জন্য অনেক দেশ বাজারে সরকারি বন্ড ছাড়ে। ইসরায়েলও নিয়মিতভাবে এ ধরনের বন্ড বাজারজাত করে থাকে। তবে নিউইয়র্ক সিটির ডেমোক্র্যাটিক পার্টির মেয়র প্রার্থী জোহরান মামদানি ঘোষণা দিয়েছেন, আগামী নভেম্বরে তিনি যদি মেয়র নির্বাচিত হন, তবে নিউইয়র্ক সিটির অর্থ আর ইসরায়েলি সরকারি বন্ডে বিনিয়োগ করা হবে না।
গত রোববার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএন নিউজে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জোহরান মামদানি বলেন, আন্তর্জাতিক আইন অবজ্ঞা করে কোনো অর্থ ইসরায়েলে বিনিয়োগ করা অনৈতিক। তিনি চান নিউইয়র্ক শহরের অর্থ এমন কোনো জায়গায় বিনিয়োগ না হোক, যা আন্তর্জাতিক আইন ও শহরের মূল্যবোধের পরিপন্থী। এ প্রসঙ্গে তিনি নিউইয়র্কের বর্তমান হিসাবরক্ষক (কম্পট্রোলার) ব্র্যাড ল্যান্ডারের অবস্থানকেও প্রশংসা করেন।
সাক্ষাৎকারে রাজনৈতিক সাংবাদিক মার্সিয়া ক্রেমার তাঁকে প্রশ্ন করেন—আগে আপনি ইসরায়েলের সঙ্গে ব্যবসা কমানোর কথা বলেছেন, তাহলে মেয়র নির্বাচিত হলে কি নিউইয়র্ক সিটির পেনশন তহবিল থেকে ইসরায়েলি বন্ডে বিনিয়োগ বন্ধ করবেন?
জবাবে মামদানি বলেন, “আমরা চাই না আন্তর্জাতিক আইন ভঙ্গ করে আমাদের অর্থ কোথাও বিনিয়োগ হোক। পেনশনের টাকা দিয়ে ইসরায়েলি বন্ড কেনা হলে তা আমাদের মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।”
নিউইয়র্ক সিটির পেনশন তহবিলের অর্থ বহু বছর ধরেই ইসরায়েলি বন্ডে বিনিয়োগ করা হচ্ছে। ২০২২ সালে ব্র্যাড ল্যান্ডার কম্পট্রোলারের দায়িত্ব নেওয়ার সময়ও নিউইয়র্ক সিটির পেনশন তহবিলে প্রায় ৩৯ মিলিয়ন ডলার ইসরায়েলি বন্ডে বিনিয়োগ ছিল। তবে ল্যান্ডারও নতুন করে ইসরায়েলি বন্ডে বিনিয়োগ করতে চান না বলে প্রকাশ্যে জানিয়েছেন।
জোহরান মামদানি বলেছেন, মেয়র হলে তিনি প্রথমে খতিয়ে দেখবেন শহরের কোন বিভাগগুলো সরাসরি ইসরায়েলি বন্ড কিনছে। এরপর সেসব বিনিয়োগ বন্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি তিনি নিউইয়র্ক সিটির অর্থনৈতিক নীতিকে আন্তর্জাতিক আইন ও মানবিক মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে কাজ করবেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জোহরান মামদানির এই অবস্থান নিউইয়র্ক সিটির আর্থিক নীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারে। একই সঙ্গে মার্কিন রাজনীতিতে ইসরায়েলকে ঘিরে চলমান বিতর্কে তাঁর এই অবস্থান নতুন মাত্রা যোগ করবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au