লালপেড়ে সাদা শাড়ি, সিঁথিতে সিঁদুর, পুজোর সাজে বাঙালিয়ানায় মুগ্ধতা ছড়ালেন নুসরাত
পুজোর সাজে সাবেকি বাঙালিয়ানার আবেদন বরাবরই আলাদা। লালপেড়ে সাদা শাড়ি, সোনার গয়না, কপালে লাল টিপ আর সিঁথিতে সিঁদুর, এই চেনা সাজেই যেন ধরা পড়ে বাঙালির…
মেলবোর্ন, ১১ সেপ্টেম্বর- কাজল যে রগচটা ও ঠোঁটকাটা স্বভাবের, তা মোটামুটি অনেকেরই জানা। এমনকি বহুবার গুঞ্জন শোনা গেছে যে, শুটিং ফ্লোরে কাজল নাকি কথায় কথায় এতটাই রেগে যেতেন যে, শুটিং ফ্লোরের অন্যান্যরা তটস্থ হয়ে থাকতেন। তবে, কাজল কিন্তু একেবারে ক্যারিরিয়ারের শুরুতে এমনটা ছিলেন না। উল্টো ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে কাজলের মতো নরম মনের মানুষ তখন প্রায় দেখাই যেত না। আর তাই তো প্রথম সিনেমায় একটা দৃশ্যের শুটিংয়ের পর হাউমাউ করে কেঁদে ফেলেছিলেন কাজল!
সময়টা নব্বইয়ের দশক। তখন সবেমাত্র বলিউডে পা দিয়েছেন তনুজা কন্যা কাজল। সিনেমার নাম ‘বেখুদি’। কাজলের বিপরীতে নায়ক হিসেবে কামাল সাদানাহ। এই সিনেমার একটি দৃশ্যে কামাল সাদানাহকে চড় মারতে হতো। কিন্তু ক্যামেরা অন হওয়া মাত্রই কাজল পিছিয়ে আসছিলেন, কিছুতেই চড় মারতে পারছিলেন না কামাল সাদানাহকে। ফলে রিটেকের পর রিটেক। কাজলের ওপর রীতিমতো রেগে গিয়েছিলেন পরিচালক।
রেগেমেগে, কাজলকে তিনি বলেই দিলেন, তোমার দ্বারা হবে না। ব্যস, পরিচালকের এ কথা শুনেই কাজলের যেন জেদ চেপে বসল, এরপরই কামালের গালে ঠাসিয়ে চড় মারলেন কাজল।
কাজল এক সাক্ষাৎকারে বলেন, কমল খুব ভদ্র একটা ছেলে। খুব শান্ত স্বভাবের। ওকে এমনটা করতে চাইনি। এতটাই খারাপ লেগেছিল যে, আমি হোটেল রুমে ফিরে হাউমাউ করে কেঁদে ফেলেছিলাম। পরে কামালই আমাকে বুঝিয়ে ছিল, এটা শুধুই একটা অভিনয়। কামালের এ কথা শুনে আমি সেদিন আরও কেঁদেছিলাম।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au