যুদ্ধ শেষে গাজার ভূখণ্ড কীভাবে ভাগাভাগি করা হবে তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা চলছে। ছবিঃ সংগৃহীত
মেলবোর্ন, ১৮ সেপ্টেম্বর- ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকাকে ‘আবাসন খনি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন ইসরায়েলের উগ্রপন্থি অর্থমন্ত্রী বাজায়েল স্মোরিচ। তিনি জানিয়েছেন, যুদ্ধ শেষে গাজার ভূখণ্ড কীভাবে ভাগাভাগি করা হবে তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) তেলআবিবে এক আবাসন সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন স্মোরিচ। তিনি বলেন, “আমরা এ যুদ্ধে অনেক অর্থ ব্যয় করেছি। এখন দেখতে হবে গাজার কত শতাংশ আমরা ভাগ পাচ্ছি। গাজা পুনর্গঠনের প্রথম ধাপ হিসেবে ভবনগুলো ভেঙে ফেলা হয়েছে। এখন শুধু নতুন করে ভবন নির্মাণ করতে হবে।”
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও একাধিকবার গাজার বাসিন্দাদের সরিয়ে দিয়ে সেখানে নতুন ‘চাকচিক্যময়’ শহর তৈরির কথা বলেছেন। গত মাসে ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র শিগগিরই গাজা নিয়ে একটি প্রস্তাব দেবে। সেই প্রস্তাব অনুযায়ী, গাজা এক দশকের জন্য মার্কিন নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং বাসিন্দাদের অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। তবে সরিয়ে নেওয়া মানুষদের আর কখনো গাজায় ফেরার অনুমতি দেওয়া হবে না।
এই পরিকল্পনার তীব্র বিরোধিতা করেছে ফিলিস্তিন ও আরব দেশগুলো। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও এতে সায় দেয়নি। অন্যদিকে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু দাবি করেছেন, গাজার মানুষকে অন্যত্র সরানোর কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। টানা দুই বছরের যুদ্ধে গাজার প্রায় সবকিছু ধ্বংস হয়ে গেছে। এ সময় ইসরায়েলি হামলায় প্রাণ হারিয়েছে ৬৫ হাজারেরও বেশি মানুষ।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল