হাসানের ৭ উইকেটে ওরচেস্টারশায়ারকে হারাল কেন্ট
ইংলিশ কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে কেন্টকে জয় এনে দিয়েছেন বাংলাদেশের ডানহাতি পেসার হাসান মাহমুদ। ওরচেস্টারশায়ারের বিপক্ষে ম্যাচে দুই ইনিংস মিলিয়ে ৭ উইকেট…
মেলবোর্ন, ২১ সেপ্টেম্বর- সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারাআ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। এএফপির এক প্রতিবেদনে রোববার এ তথ্য জানানো হয়। এটি তাঁর প্রথম যুক্তরাষ্ট্র সফর এবং ১৯৬৭ সালের পর এই প্রথম কোনো সিরিয়ান নেতা জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন।
গত ডিসেম্বরে দীর্ঘদিনের শাসক বাশার আল-আসাদকে উৎখাত করে ক্ষমতায় আসেন সাবেক জিহাদি নেতা আহমেদ আল-শারাআ। এর মাধ্যমে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের অবসানের পথ তৈরি হয়। ক্ষমতায় আসার পর থেকেই তিনি কূটনৈতিক অঙ্গনে নাটকীয় পরিবর্তনের সূচনা করেছেন।
তিনি ইতিমধ্যে সৌদি আরবের রিয়াদে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ফ্রান্সের প্যারিসে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এসব বৈঠক আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সিরিয়ার নতুন সরকারের গ্রহণযোগ্যতা বাড়িয়েছে।
শারাআর সফরের আগে সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শাইবানি ইতিমধ্যে ওয়াশিংটনে পৌঁছেছেন। তিনি মার্কিন সিনেটর, পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মকর্তা এবং আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করছেন। এসব আলোচনায় সিরিয়ার সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে আলাপ চলছে।
নতুন সিরীয় সরকার ইসরায়েলের সঙ্গেও সংলাপ শুরু করেছে। শারাআ জানিয়েছেন, চলতি বছর ইসরায়েলের সঙ্গে একটি বড় নিরাপত্তা ও সামরিক চুক্তি সম্পন্ন হতে পারে। তাঁর দাবি, আলোচনায় ইসরায়েল সাম্প্রতিক মাসগুলোতে দখল করা সিরীয় এলাকা ছাড়ার ব্যাপারে সম্মত হতে পারে। এটি সফল হলে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তন আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, শারাআর এই সফর সিরিয়ার জন্য এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটি আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে ফের শক্ত অবস্থান নিতে চাইছে। জাতিসংঘ অধিবেশনে তাঁর ভাষণে সিরিয়ার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক রূপরেখা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে দিকনির্দেশনা থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এই সফরের মধ্য দিয়ে সিরিয়া দীর্ঘদিন পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন আস্থার বার্তা দিচ্ছে, যা দেশটির কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au