শিল্পী থেকে রাজনীতিবিদ, কাউকে ছাড়লেন না অভিনেতা খরাজ
মেলবোর্ন, ২৬ এপ্রিল- পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়তে থাকায় বর্তমান ভোট সংস্কৃতি ও রাজনীতির চরিত্র নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ জানিয়েছেন টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা খরাজ…
মেলবোর্ন, ২৭ সেপ্টেম্বর- অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ জানিয়েছেন, তার দেশের মানুষ বিদেশে অতি-ডানপন্থার উত্থান নিয়ে উদ্বিগ্ন। তিনি বলেছেন, সরকারগুলোকে উচিত জনগণকে বিভক্ত না করে বাস্তবসম্মত সমাধান উপস্থাপন করা।
শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় লন্ডনে স্বল্প সময়ের সফরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন। সেখানে তিনি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমারসহ বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন।
আগামী মাসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ওয়াশিংটনে সরাসরি বৈঠক করবেন অ্যালবানিজ। তার আগে তিনি সতর্ক করে বলেন, “জনপ্রিয়তাবাদী রাজনীতি ও অতি-ডানপন্থার উত্থান বিপজ্জনক। সরকারগুলোকে জনগণের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি না করে সমাধান খুঁজে বের করতে হবে।”
তিনি বলেন, “রিফর্ম ইউকে’র মতো রাজনৈতিক সংগঠনের উত্থান আমি দেখতে চাই না।” এই দলটির নেতা নাইজেল ফারাজ ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং তার সঙ্গে নির্বাচনী প্রচারেও অংশ নিয়েছেন। যদিও দলটি গত বছরের যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচনে ৬৫০ আসনের মধ্যে মাত্র ৫টি আসন পেয়েছিল, সাম্প্রতিক জরিপগুলোতে তাদের জনপ্রিয়তা বাড়ছে।
অ্যালবানিজ বলেন, “আমাদের কাজ হলো মানুষ যেন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি আস্থা না হারায়, তা নিশ্চিত করা।”
তিনি আরও যোগ করেন, “অস্ট্রেলিয়ার মানুষ বিভিন্ন দেশে অতি-ডানপন্থী গোষ্ঠীর উত্থান নিয়ে উদ্বিগ্ন। এই প্রবণতা দমন করতে হলে রাজনৈতিক নেতৃত্বকে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে হবে।”
অ্যালবানিজ এই মন্তব্য করেন নিউইয়র্ক থেকে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার পর লন্ডনে পৌঁছে। শুক্রবার সকালে তিনি গ্লোবাল প্রগ্রেসিভ অ্যাকশন কনফারেন্সে অংশ নেন, যেখানে উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কারনি এবং আইসল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টরুন ফ্রোস্তাডোত্তির।
এই কেন্দ্র-বামপন্থী নেতারা, যারা গত ১৮ মাসে নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন, আলোচনায় অংশ নিয়ে জনপ্রিয়তাবাদী প্রতিপক্ষের মোকাবিলায় অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন। তারা জীবিকা ব্যয়ের সংকট ও অভিবাসীবিরোধী মনোভাব বৃদ্ধির মধ্যেও কীভাবে গণসমর্থন ধরে রাখা যায়, তা নিয়েও আলোচনা করেন।
এটি ছিল একধরনের ঐক্যের প্রদর্শন, বিশেষ করে এমন সময়ে যখন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া ও কানাডার সমালোচনা করেছেন — কারণ এই তিন দেশই সম্প্রতি ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
সেদিন অ্যালবানিজ আরও বৈঠক করেন যুক্তরাজ্যের বিরোধীদলীয় নেতা কেমি ব্যাডেনক এবং স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজের সঙ্গে।
শনিবার তিনি স্কটল্যান্ডের বালমোরাল কাসেলে রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন বলে জানা গেছে।
অ্যালবানিজ শেষ পর্যন্ত পুনরায় নিশ্চিত করেন, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত নিরাপত্তা জোট AUKUS “তিন দেশেরই স্বার্থে” গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সূত্র: বিবিসি / এবিসি নিউজ (অস্ট্রেলিয়া)
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au