শিল্পী থেকে রাজনীতিবিদ, কাউকে ছাড়লেন না অভিনেতা খরাজ
মেলবোর্ন, ২৬ এপ্রিল- পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়তে থাকায় বর্তমান ভোট সংস্কৃতি ও রাজনীতির চরিত্র নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ জানিয়েছেন টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা খরাজ…
মেলবোর্ন, ৩০ সেপ্টেম্বর: মার্কেট এনালিস্ট এবং বিশেষজ্ঞগন যেমনটা ধারণা করেছিলেন, সেপ্টেম্বর বৈঠকে ব্যাংক সুদের হারের সিদ্ধান্ত সেভাবেই এসেছে। অর্থাৎ অস্ট্রেলিয়ার রিজার্ভ ব্যাংক (আরবিএ) আজকের বৈঠকে সেপ্টেম্বর মাসে সুদের হার অপরিবর্তিত রেখেছে ৩.৬ শতাংশে। এর আগে আগস্ট বৈঠকে সুদের হার কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল আরবিএ।
চলতি বছর ইতিমধ্যেই তিন দফায় সুদ কমানো হয়েছে, যা ফেব্রুয়ারির বৈঠকের আগে ৪.৩৫ শতাংশ থেকে নামানো হয়েছে। মর্টগেজ ও ভোক্তাদের প্রভাব ফাইন্ডার-এর ভোক্তা গবেষণা প্রধান গ্রাহাম কুক জানান, এর ফলে বেশিরভাগ ভ্যারিয়েবল লোনধারী ঋণগ্রহীতার সুদহার এখন ৫.৫ শতাংশের নিচে হওয়া উচিত। তিনি বলেন, “যদি কেউ এখনো ৫.৫ শতাংশের বেশি দিচ্ছেন, তবে সম্ভবত তারা বেশি দিচ্ছেন।”
অর্থনীতি ও মুদ্রাস্ফীতি পরিস্থিতি
আরবিএ-এর প্রধান অর্থনীতিবিদ সারাহ হান্টার সম্প্রতি সংসদীয় কমিটিতে বলেন, অস্ট্রেলিয়ার অর্থনীতি বর্তমানে একটি “চক্রাকার উত্থানের” মধ্যে রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক মাসিক মুদ্রাস্ফীতি ডেটা অর্থনীতিবিদদের প্রত্যাশার চেয়ে বেশি এসেছে (৩ শতাংশ), বিশেষ করে পরিষেবা খাতের মুদ্রাস্ফীতি উদ্বেগ তৈরি করেছে।
গভর্নরের সতর্ক বার্তা
সভা-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে গভর্নর মিশেল বুলক জানান, ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি নিয়ে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে। “বাজার পরিষেবা ও হাউজিং মুদ্রাস্ফীতি আমাদের প্রত্যাশার চেয়ে কিছুটা বেশি হয়েছে,” তিনি বলেন।
আরবিএ বোর্ড তাদের বিবৃতিতে জানায়, ব্যক্তিগত চাহিদার পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত, মুদ্রাস্ফীতির স্থায়ী থাকার সম্ভাবনা এবং শ্রমবাজার স্থিতিশীল থাকায় নগদ সুদের হার স্থিতিশীল রাখা হয়েছে।
অর্থনীতির ইতিবাচক ইঙ্গিত
আরবিএ উল্লেখ করেছে, ব্যক্তিগত ভোগ বাড়ছে, গৃহস্থালির আয় বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং আর্থিক পরিবেশ সহজ হয়েছে। আবাসন বাজারে ইতিবাচক প্রভাব দেখা যাচ্ছে। আগস্টের বেসরকারি খাতের ঋণের পরিসংখ্যানে বার্ষিক ঋণ প্রবৃদ্ধি বেড়ে হয়েছে ৭.২ শতাংশ—যা বৈশ্বিক আর্থিক সংকটের পর সবচেয়ে দ্রুত বৃদ্ধি (মহামারীর সময় ব্যতীত)।
বাজারের প্রত্যাশা
জেপি মর্গান-এর অর্থনীতিবিদ টম রায়ান ও বেন জারম্যান বলেছেন, এই শক্তিশালী ঋণ প্রবৃদ্ধি আবাসন, ব্যবসায়িক বিনিয়োগ এবং ভোগ ব্যয়ের পুনরুদ্ধারকে আরও ত্বরান্বিত করবে।
তবে গভর্নর বুলক জোর দিয়ে বলেছেন, ভবিষ্যতের সুদহারের সিদ্ধান্ত “সভা-সভা ভিত্তিতে তথ্য বিশ্লেষণ করে” নেওয়া হবে।
তার মন্তব্যের পর আর্থিক বাজারে নভেম্বর মাসে সুদ কমানোর সম্ভাবনা ৫০ শতাংশ থেকে নেমে এসেছে প্রায় ৩৫ শতাংশে।
ক্যাপিটাল ইকোনমিকসের অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ সূর্য মনে করেন, অর্থনীতি পুরোপুরি সচল না হলেও, দীর্ঘদিন হার বেশি রাখলে পুনরুদ্ধার থমকে যেতে পারে। তার মতে, আরবিএ শেষ পর্যন্ত সুদহার কমিয়ে ৩.১ শতাংশে নিয়ে যাবে, যা বাজারে অনুমান করা প্রায় ৩.৩ শতাংশের নিচে।

সূত্র: এবিসি নিউজ
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au