সংবাদমাধ্যম জিটিওকে সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবিঃ সংগৃহীত
মেলবোর্ন, ৩০ সেপ্টেম্বর- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) অধিবেশনের ফাঁকে সংবাদমাধ্যম জিটিওকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাংবাদিক মেহদি হাসানের প্রশ্নের জবাবে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে, ফলে দলটি আপাতত কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে পারবে না। তবে তিনি স্পষ্ট করে জানান, দল হিসেবে আওয়ামী লীগ এখনো বৈধ রয়েছে এবং এই স্থগিতাদেশ যেকোনো সময় তুলে নেওয়া হতে পারে।
ড. ইউনূস বলেন, “আওয়ামী লীগের কার্যক্রম স্থগিত থাকায় তারা দল হিসেবে কাজ করতে পারবে না। তবে এটি স্থায়ী সিদ্ধান্ত নয়। যেকোনো সময় কার্যক্রম পুনরায় চালুর সুযোগ রয়েছে। কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা যেকোনো সময় তুলে নেওয়া হতে পারে।”
নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়ার এখতিয়ার নির্বাচন কমিশনের। কোন দল নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে, তা সম্পূর্ণভাবে নির্বাচন কমিশনই নির্ধারণ করবে, কারণ তারাই নির্বাচনের আয়োজক ও পরিচালনাকারী সংস্থা।”
ড. ইউনূস আরও বলেন, আওয়ামী লীগের সমর্থকরা ভোট দিতে পারবেন, তবে সেখানে দলের প্রতীক থাকবে না। তিনি মন্তব্য করেন, “আমি মনে করি না যে আওয়ামী লীগের লাখ লাখ সমর্থক আছে। তাদের সমর্থকেরা সাধারণ ভোটারের মতোই ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন, তবে প্রতীকের অনুপস্থিতিতে দল হিসেবে তারা অংশ নেবেন না।”
তিনি আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে বলেন, “আওয়ামী লীগ নিজেদের রাজনৈতিক দল দাবি করলেও তারা কখনোই প্রকৃত রাজনৈতিক দলের মতো আচরণ করেনি। তারা মানুষ হত্যা করেছে, নিজেদের কর্মকাণ্ডের দায় স্বীকার করেনি, বরং সব সময় অন্যের ওপর দায় চাপিয়েছে।”
সাংবাদিক মেহদি হাসানের প্রশ্নের জবাবে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে, ফলে দলটি আপাতত কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে পারবে না। তবে তিনি স্পষ্ট করে জানান, দল হিসেবে আওয়ামী লীগ এখনো বৈধ রয়েছে এবং এই স্থগিতাদেশ যেকোনো সময় তুলে নেওয়া হতে পারে।
ড. ইউনূস বলেন, “আওয়ামী লীগের কার্যক্রম স্থগিত থাকায় তারা দল হিসেবে কাজ করতে পারবে না। তবে এটি স্থায়ী সিদ্ধান্ত নয়। যেকোনো সময় কার্যক্রম পুনরায় চালুর সুযোগ রয়েছে। কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা যেকোনো সময় তুলে নেওয়া হতে পারে।”
নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়ার এখতিয়ার নির্বাচন কমিশনের। কোন দল নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে, তা সম্পূর্ণভাবে নির্বাচন কমিশনই নির্ধারণ করবে, কারণ তারাই নির্বাচনের আয়োজক ও পরিচালনাকারী সংস্থা।”
ড. ইউনূস আরও বলেন, আওয়ামী লীগের সমর্থকরা ভোট দিতে পারবেন, তবে সেখানে দলের প্রতীক থাকবে না। তিনি মন্তব্য করেন, “আমি মনে করি না যে আওয়ামী লীগের লাখ লাখ সমর্থক আছে। তাদের সমর্থকেরা সাধারণ ভোটারের মতোই ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন, তবে প্রতীকের অনুপস্থিতিতে দল হিসেবে তারা অংশ নেবেন না।”
তিনি আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে বলেন, “আওয়ামী লীগ নিজেদের রাজনৈতিক দল দাবি করলেও তারা কখনোই প্রকৃত রাজনৈতিক দলের মতো আচরণ করেনি। তারা মানুষ হত্যা করেছে, নিজেদের কর্মকাণ্ডের দায় স্বীকার করেনি, বরং সব সময় অন্যের ওপর দায় চাপিয়েছে।”
সুত্রঃ সংবাদমাধ্যম জিটিও