নোয়াখালীতে ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, মাদরাসাশিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
নোয়াখালী সদর উপজেলায় ৯ বছর বয়সী এক মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে মাদরাসাশিক্ষক মাওলানা মোবারক হোসেন ওরফে এমরানের (৪৫) বিরুদ্ধে। অভিযোগ জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয়রা ওই…
মেলবোর্ন, ২২ অক্টোবর- মানবতাবিরোধী অপরাধের তিনটি পৃথক মামলায় অভিযুক্ত ১৫ জন বর্তমান ও সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তাঁদের আইনজীবী এম সরোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, এসব কর্মকর্তাকে সাধারণ কারাগারে নয়, সাবজেলে বা উপকারাগারে রাখা হবে।
বুধবার সকাল ৭টার পর এই ১৫ কর্মকর্তা ট্রাইব্যুনালে হাজির হন। শুনানি শেষে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ তাঁদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য ছিলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। সকাল ১০টার দিকে তাঁদের ট্রাইব্যুনাল চত্বরের কারা প্রিজন ভ্যানে তোলা হয় এবং পরে সবুজ রঙের ভ্যানটি কারাগারের উদ্দেশে ট্রাইব্যুনাল এলাকা ত্যাগ করে।
আইনজীবী এম সরোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের জানান, তাঁদের মক্কেলদের সাবজেলে রাখা হবে।
তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে ঢাকা সেনানিবাসের একটি ভবনকে আগেই সাময়িকভাবে উপকারাগার ঘোষণা করা হয়েছে, সেখানেই তাঁদের রাখা হবে বলে তাঁরা ধারণা করছেন।
এই ১৫ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে দুই ধরনের ঘটনায়। প্রথমত, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সাড়ে ১৫ বছরের শাসনামলে গুম ও নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের দুটি মামলা। দ্বিতীয়ত, চলতি বছরের জুলাই মাসে গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আরেকটি মামলা। এই তিন মামলায় মোট ২৫ জন সাবেক ও বর্তমান সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ৮ অক্টোবর গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। সে দিনই প্রসিকিউশন ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে। পরে ১১ অক্টোবর সেনাবাহিনী জানায়, ১৫ জন কর্মকর্তাকে তারা নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে, যাঁদের মধ্যে একজন কর্মকর্তা অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে (এলপিআর) ছিলেন।
এরপর ১২ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করে জানায়, ঢাকা সেনানিবাসের ‘এমইএস বিল্ডিং নম্বর-৫৪’ সাময়িকভাবে কারাগার হিসেবে ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে অনুরোধ পাওয়ার পর এই প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
যাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাঁদের মধ্যে আছেন: মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী, ব্রিগেডিয়ার কে এম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে), লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মশিউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ রেদোয়ানুল ইসলাম এবং মেজর মো. রাফাত-বিন-আলম।
সুত্রঃ প্রথম আলো
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au